ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লিতে বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত আলোচনা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 92

ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি, অনুপ্রবেশ ও ‘পুশইন’ ইস্যু নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের কনফারেন্স শুরু হয়েছে।

৫৭তম এ কনফারেন্সে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিজি প্রবীণ কুমার এবং বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিজি মেজর জেনারেল আফরুজ্জামান সিদ্দিকি। চারদিনব্যাপী এই বৈঠক সোমবার (৮ জুন) শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) পর্যন্ত।

ভারতীয় পক্ষ জানিয়েছে, আলোচনায় অনুপ্রবেশ, সীমান্ত অপরাধ, সীমান্তে বেড়া নির্মাণ, ভারতীয় নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ এবং দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়গুলো স্থান পাবে। বাংলাদেশ বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিছু কথিত অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েক হাজার ব্যক্তিকে ইতোমধ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং আরও অনেকে হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে সীমান্তে ‘পুশইন’ চেষ্টা বাড়ার অভিযোগ তুলে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানায় বিজিবি। সংস্থাটি একাধিকবার এমন চেষ্টা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে।

এর আগে যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় কয়েকজনকে শূন্য রেখায় ঠেলে দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা আরও গুরুত্ব পায়।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরিচয় যাচাই করে তালিকা পাঠানো হলে আইন অনুযায়ী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে, তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো তালিকা পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দিল্লিতে বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত আলোচনা শুরু

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি, অনুপ্রবেশ ও ‘পুশইন’ ইস্যু নিয়ে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের কনফারেন্স শুরু হয়েছে।

৫৭তম এ কনফারেন্সে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিজি প্রবীণ কুমার এবং বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিজি মেজর জেনারেল আফরুজ্জামান সিদ্দিকি। চারদিনব্যাপী এই বৈঠক সোমবার (৮ জুন) শুরু হয়ে চলবে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) পর্যন্ত।

ভারতীয় পক্ষ জানিয়েছে, আলোচনায় অনুপ্রবেশ, সীমান্ত অপরাধ, সীমান্তে বেড়া নির্মাণ, ভারতীয় নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ এবং দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়গুলো স্থান পাবে। বাংলাদেশ বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ থেকে কিছু কথিত অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েক হাজার ব্যক্তিকে ইতোমধ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং আরও অনেকে হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ পক্ষ থেকে সীমান্তে ‘পুশইন’ চেষ্টা বাড়ার অভিযোগ তুলে সতর্ক অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে জানায় বিজিবি। সংস্থাটি একাধিকবার এমন চেষ্টা প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে।

এর আগে যশোরের শার্শা সীমান্ত এলাকায় কয়েকজনকে শূন্য রেখায় ঠেলে দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা আরও গুরুত্ব পায়।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরিচয় যাচাই করে তালিকা পাঠানো হলে আইন অনুযায়ী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে, তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো তালিকা পাওয়া যায়নি।