ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-দিল্লি পররাষ্ট্র পর্যায়ের বৈঠক কি বার্তা দিচ্ছে?

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 110

বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নয়াদিল্লিতে এক টেবিলে বসে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন বার্তা দিয়েছেন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে দিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্ত্রী সফর হিসেবে গুরুত্ব বহন করে। ড. খলিলুর রহমান ও ড. এস জয়শঙ্কর শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে নানা বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন।

বৈঠক শেষে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্কের বহুমুখী দিক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জটিল বিষয়গুলো নিয়ে ভালো মতবিনিময় হয়েছে।

মুখ্য আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পুনঃপ্রবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা, গঙ্গার পানিচুক্তির নবায়ন এবং সীমান্তে হত্যার ঘটনা রোধ।

সফরের এজেন্ডায় ভারতের সব ধরনের ভিসা প্রবর্তন, হত্যাকারীর প্রত্যর্পণ, সাজাপ্রাপ্ত নেতাদের দেশে ফেরানো, শীর্ষ নেতাদের সফর বিনিময় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় ভারতের সমর্থন নিশ্চিতকরণও অন্তর্ভুক্ত। আঞ্চলিক ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকট নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

দাপ্তরিক বৈঠকের পর একটি বিশেষ ঘটনা ঘটবে আগামী ৯ এপ্রিল: দুই মন্ত্রী একই বাণিজ্যিক ফ্লাইটে মরিশাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। দীর্ঘ প্রায় আট ঘণ্টার এই ‘ফ্লাইট ডিপ্লোম্যাসি’ সম্পর্কের আরও গভীরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত জটিলতার সমাধানে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকা-দিল্লি পররাষ্ট্র পর্যায়ের বৈঠক কি বার্তা দিচ্ছে?

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নয়াদিল্লিতে এক টেবিলে বসে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন বার্তা দিয়েছেন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে দিল্লির হায়দারাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্ত্রী সফর হিসেবে গুরুত্ব বহন করে। ড. খলিলুর রহমান ও ড. এস জয়শঙ্কর শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে নানা বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন।

বৈঠক শেষে জয়শঙ্কর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, আলোচনায় দুই দেশের সম্পর্কের বহুমুখী দিক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক জটিল বিষয়গুলো নিয়ে ভালো মতবিনিময় হয়েছে।

মুখ্য আলোচ্য বিষয়গুলো ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পুনঃপ্রবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা, গঙ্গার পানিচুক্তির নবায়ন এবং সীমান্তে হত্যার ঘটনা রোধ।

সফরের এজেন্ডায় ভারতের সব ধরনের ভিসা প্রবর্তন, হত্যাকারীর প্রত্যর্পণ, সাজাপ্রাপ্ত নেতাদের দেশে ফেরানো, শীর্ষ নেতাদের সফর বিনিময় এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় ভারতের সমর্থন নিশ্চিতকরণও অন্তর্ভুক্ত। আঞ্চলিক ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকট নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

দাপ্তরিক বৈঠকের পর একটি বিশেষ ঘটনা ঘটবে আগামী ৯ এপ্রিল: দুই মন্ত্রী একই বাণিজ্যিক ফ্লাইটে মরিশাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। দীর্ঘ প্রায় আট ঘণ্টার এই ‘ফ্লাইট ডিপ্লোম্যাসি’ সম্পর্কের আরও গভীরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত জটিলতার সমাধানে।