ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরির জন্য তরুণদের দীর্ঘ অপেক্ষা নয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 109

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না। উৎপাদন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বাড়িয়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না—এমন একটি উৎপাদন ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ভুল নীতি, স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা, অর্থ পাচার এবং অপ্রয়োজনীয় বড় প্রকল্পের কারণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মক চাপে পড়েছিল। উৎপাদন, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে পড়ে, আর দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝাও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, সরকার অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করছে না, তবে এটিকে অজুহাতও বানাতে চায় না। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কার্যকর নীতি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এবারের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপরেখা। উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে, যাতে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আরও সম্প্রসারিত হয়।

তিনি বলেন, সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে উদ্ভাবননির্ভর, উৎপাদনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নয়, বরং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্যেই দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবন এবং নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলে রপ্তানিমুখী অর্থনীতি নির্মাণে সরকার কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাকরির জন্য তরুণদের দীর্ঘ অপেক্ষা নয়: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না। উৎপাদন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বাড়িয়ে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না—এমন একটি উৎপাদন ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের ভুল নীতি, স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা, অর্থ পাচার এবং অপ্রয়োজনীয় বড় প্রকল্পের কারণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মক চাপে পড়েছিল। উৎপাদন, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে পড়ে, আর দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝাও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, সরকার অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করছে না, তবে এটিকে অজুহাতও বানাতে চায় না। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কার্যকর নীতি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার মাধ্যমে সংকট মোকাবিলা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এবারের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপরেখা। উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে, যাতে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আরও সম্প্রসারিত হয়।

তিনি বলেন, সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে উদ্ভাবননির্ভর, উৎপাদনশীল ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, প্রকৃত উন্নয়ন শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নয়, বরং মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্যেই দেশীয় শিল্পের বিকাশ, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবন এবং নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলে রপ্তানিমুখী অর্থনীতি নির্মাণে সরকার কাজ করছে।