ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চবক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 383

চবক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি দুদকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ অনুসন্ধানের জন্য একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই অভিযোগসমূহের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।”

দুদকের চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে, এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সকল রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত ছায়ালিপি আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে অনুসন্ধান কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। অভিযোগের ব্যাপারে চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

এই অনুসন্ধান শুরুর খবরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনাটির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বন্দর সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রে এখন মনিরুজ্জামানের কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যত পদক্ষেপ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চবক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

সম্প্রতি দুদকের পক্ষ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ অনুসন্ধানের জন্য একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন একজন উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই অভিযোগসমূহের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।”

দুদকের চিঠিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে, এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সকল রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত ছায়ালিপি আগামী ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে অনুসন্ধান কর্মকর্তার দপ্তরে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। অভিযোগের ব্যাপারে চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

এই অনুসন্ধান শুরুর খবরে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনাটির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বন্দর সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রে এখন মনিরুজ্জামানের কর্মকাণ্ড এবং ভবিষ্যত পদক্ষেপ।