ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের জেরে সিলেটে ট্রিপল মার্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 72

গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের জেরে সিলেটে ট্রিপল মার্ডার

সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় গৃহকর্মীসহ একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বাবুল একাই তিনজনকে হত্যা করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।

পুলিশ কমিশনার জানান, নিহত আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের সঙ্গে বাবুলের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। বিভিন্ন সময় কাজের সুবাদে তিনি ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে ওই বাসার গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে বাবুল ওই বাসায় যান। গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দিলে তিনি তাঁর কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করে হত্যা করেন।

তাহমিনার চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এরপর আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করেন বাবুল। পরে তিনি বাসার বেলকনি দিয়ে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা শুরু করে। ফুটেজে গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগমকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তাঁর চিৎকারও শোনা যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসব ফুটেজের সূত্র ধরে বাবুলকে শনাক্ত করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর পালানোর সময় বাবুল পাশের একটি ফ্ল্যাটের কাছে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে দেন।

গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া সিলেট নগরের রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত নূর মিয়া। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি।

পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের জেরে সিলেটে ট্রিপল মার্ডার

সর্বশেষ আপডেট ১১:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় গৃহকর্মীসহ একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বাবুল একাই তিনজনকে হত্যা করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।

পুলিশ কমিশনার জানান, নিহত আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের সঙ্গে বাবুলের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। বিভিন্ন সময় কাজের সুবাদে তিনি ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে ওই বাসার গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে বাবুল ওই বাসায় যান। গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দিলে তিনি তাঁর কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে আঘাত করে হত্যা করেন।

তাহমিনার চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এরপর আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করেন বাবুল। পরে তিনি বাসার বেলকনি দিয়ে পালিয়ে যান।

ঘটনার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা শুরু করে। ফুটেজে গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগমকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তাঁর চিৎকারও শোনা যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসব ফুটেজের সূত্র ধরে বাবুলকে শনাক্ত করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর পালানোর সময় বাবুল পাশের একটি ফ্ল্যাটের কাছে খুনে ব্যবহৃত ছুরিটি ফেলে দেন।

গ্রেপ্তার বাবুল মিয়া সিলেট নগরের রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত নূর মিয়া। পেশায় তিনি রংমিস্ত্রি।

পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।