প্রেমের টানে চীন থেকে কুষ্টিয়ায়, অতঃপর…
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
- / 8
ভালোবাসার কোনো সীমানা নেই, আর সেই অসাধ্যকে সাধন করেই সুদূর চীন থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছুটে এলেন যুবক চেন বাও মিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হওয়া এক বছরের পরিচয় ও প্রেম শেষ পর্যন্ত রূপ নিল পরিণয়ে। কুষ্টিয়ার মেয়ে তাসলিমা খাতুনের টানে হাজার মাইলের দূরত্ব ঘুচিয়ে সোমবার আদালতের মাধ্যমে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই চীনা ব্যবসায়ী।
বর্তমানে ভেড়ামারার পশ্চিম বাহিরচর ইউনিয়নে এই নবদম্পতিকে ঘিরে বইছে উৎসবের আমেজ। দুই পরিবারের সম্মতিতেই সম্পন্ন হয়েছে এই বিয়ে, যেখানে ভাষাগত বাধা দূর করছে প্রযুক্তি।
তাসলিমা জানান, শ্বশুরবাড়ির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে, চেন বাও মিংও মুগ্ধ বাঙালি আতিথেয়তায়। এখন শুধু তাসলিমাকে নিজের দেশে নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন এই চীনা বধূ।
তাসলিমার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ এক বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে চীনা যুবক চেন বাও মিংয়ের পরিচয় হয়। আর সেখান থেকে প্রেমের সম্পর্ক হয় তাদের। চীনা যুবক চেন বাও মিং পেশায় একজন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী।
পরিবারের সম্মতি নিয়ে চেন বাও মিং সোমবার ২০ এপ্রিল বাংলাদেশে এসে পৌঁছায়। তাসলিমার পরিবার তাকে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে ভেড়ামারার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে এলাকাবাসীর পরামর্শে তারা কুষ্টিয়ার আদালতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে নতুন এই দম্পতি ভেড়ামারায় তাসলিমার বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
নব দম্পতিকে এক নজর দেখতে তসলিমার বাড়িতে স্থানীয় এলাকাবাসী ছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন। এ সময় তারা বিদেশি নাগরিককে দেখে নানা রকম কৌতুহল প্রকাশ করেন।
তাসলিমা খাতুন বলেন, উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বাবা-মার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। এই বিয়েতে আমি খুব খুশি। সবার কাছে দোয়া চাই আমাদের জন্য।
চীনা যুবক চেন বাও মিংয়ের সঙ্গে ট্রান্সলেটের মাধ্যমে কথা হলে তিনি বলেন, আমি তাকে ভালোবাসি। আমরা ভালোবেসে একে অপরের সঙ্গে বিয়ে করেছি। আমি তাদের সঙ্গে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। কারণ তার পরিবার খুব দয়ালু ও বন্ধুত্বপূর্ণ। আমার স্ত্রীর কাগজপত্র প্রস্তুত করে তাকে চীনে নিয়ে যেতে চাই।
































