ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 120

তথাকথিত ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর গাজায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরা।

নিহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুও রয়েছে। গাজা সিটির তুফফাহ ও জেইতুন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আবু রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় নেয়া তাঁবুতে হামলায় আরও চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া আল-মাওয়াসি উপকূলীয় তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও দুইজন নিহত হন। ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নিহতদের একজন ছিলেন জরুরি সেবাকর্মী হুসেইন হাসান হুসেইন আল-সুমাইরি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় তাদের এক রিজার্ভ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর বিমান হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘‘ইয়েলো লাইন’’-এর কাছে নিয়মিত অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে। ‘‘ইয়েলো লাইন’’ বলতে ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বোঝানো হয়।

প্রায় চার মাস আগে ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলা, নিহত ২৩

সর্বশেষ আপডেট ১০:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তথাকথিত ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর গাজায় সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি চালিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরা।

নিহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তাদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুও রয়েছে। গাজা সিটির তুফফাহ ও জেইতুন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে অন্তত ১৪ জন নিহত হন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আবু রাশওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় নেয়া তাঁবুতে হামলায় আরও চারজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এছাড়া আল-মাওয়াসি উপকূলীয় তাঁবু শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও দুইজন নিহত হন। ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নিহতদের একজন ছিলেন জরুরি সেবাকর্মী হুসেইন হাসান হুসেইন আল-সুমাইরি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় তাদের এক রিজার্ভ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর বিমান হামলা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘‘ইয়েলো লাইন’’-এর কাছে নিয়মিত অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে। ‘‘ইয়েলো লাইন’’ বলতে ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বোঝানো হয়।

প্রায় চার মাস আগে ‘অস্ত্রবিরতি’ কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।