ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • / 59

বিগত সরকারের সময়ে গণমাধ্যম ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার দায়িত্ব পালন না করে তোষামোদীতে ব্যস্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সংস্কৃতি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি, যা দুর্ভাগ্যজনক।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা। কিন্তু অতীতে সেই ভূমিকা পালনের পরিবর্তে অনেকেই তোষামোদে ব্যস্ত ছিলেন। একই প্রবণতা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রেও রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিগতভাবে এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। তবে কিছু বিষয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন। তার ভাষ্য, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি, সেগুলো নির্বাচনের পর সংসদে আলোচনা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা উপেক্ষিত হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিরোধী দলকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য গঠিত কমিটির মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বিগত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন খাতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা একদিনে পূরণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে, যদিও এখনও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও এক লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে এনইসির সভাপতি ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যেই ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল কাজ করবে।

এ সময় দ্য ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম শহীদ সাংবাদিকদের সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্বে সহযোগিতার ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ফখরুলের

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিগত সরকারের সময়ে গণমাধ্যম ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার দায়িত্ব পালন না করে তোষামোদীতে ব্যস্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সংস্কৃতি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি, যা দুর্ভাগ্যজনক।

রোববার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব ক্ষমতাকে জবাবদিহির আওতায় আনা। কিন্তু অতীতে সেই ভূমিকা পালনের পরিবর্তে অনেকেই তোষামোদে ব্যস্ত ছিলেন। একই প্রবণতা রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রেও রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিগতভাবে এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বিএনপি জুলাই সনদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। তবে কিছু বিষয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন। তার ভাষ্য, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়নি, সেগুলো নির্বাচনের পর সংসদে আলোচনা ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা থাকলেও তা উপেক্ষিত হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয় বিষয়ে বিরোধী দলকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য গঠিত কমিটির মাধ্যমে সমঝোতার ভিত্তিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বিগত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন খাতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা একদিনে পূরণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, পরিবর্তনের কাজ শুরু হয়েছে, যদিও এখনও অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পাঁচ সাংবাদিকের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও এক লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে এনইসির সভাপতি ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যেই ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল কাজ করবে।

এ সময় দ্য ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম শহীদ সাংবাদিকদের সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্বে সহযোগিতার ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার।