ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ লড়াইয়ের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / 72

গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ লড়াইয়ের ঘোষণা

যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেছেন, অতীতের মতো এবারও সব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রা শেষে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই একটি মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। জনগণ অতীতে তাদের পরাজিত করেছে। কিন্তু সেই মহল আবারও ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, ‘আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব। এটাই হোক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতিজ্ঞা।’

১৯৭১, ১৯৯০ এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। এবারের শোভাযাত্রা হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রত্যয়ের প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়ে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, তা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে যেখান থেকেই ষড়যন্ত্র আসুক, সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তার জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের শোভাযাত্রা চলমান থাকবে।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন।

শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেখানে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ লড়াইয়ের ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেছেন, অতীতের মতো এবারও সব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রা শেষে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই একটি মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছে। জনগণ অতীতে তাদের পরাজিত করেছে। কিন্তু সেই মহল আবারও ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, ‘আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব। এটাই হোক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতিজ্ঞা।’

১৯৭১, ১৯৯০ এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের মতো আবারও ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে। এবারের শোভাযাত্রা হোক বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রত্যয়ের প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়ে যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, তা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে যেখান থেকেই ষড়যন্ত্র আসুক, সব গণতন্ত্রকামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তার জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের শোভাযাত্রা চলমান থাকবে।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা অংশ নেন।

শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেখানে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।