ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্ণফুলীতে পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / 11

কর্ণফুলীতে পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ ডুবি

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরের দিকে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির বিপরীত পাশে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত ও তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জাহাজে থাকা মাস্টারসহ ১২ জন ক্রু-কর্মচারীকে সম্পূর্ণ জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে কর্ণফুলী নদীর ১ নম্বর ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আংশিক ডুবে যায়। জাহাজটি দেশের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান ‘বে হারবার লিমিটেড’-এর মালিকানাধীন এবং এটি মূলত পাথর বোঝাই করে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা জানায়, উত্তাল নদীতে চরম প্রতিকূলতার মাঝেও তারা প্রথম দফায় আটজনকে এবং পরবর্তী সময়ে বাকি আরও চারজনকে অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার হওয়া সব নৌ-কর্মী বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র ও চিফ পারসোনাল অফিসার মো. নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, লাইটার জাহাজটি মূল বন্দর চ্যানেলের বাইরে আংশিক ডুবেছে। এর ফলে কর্ণফুলী নদী দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে দেশি-বিদেশি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে চ্যানেলে নৌ-যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী, আংশিক নিমজ্জিত লাইটার জাহাজটি নদী থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে মালিকপক্ষ উদ্ধারকারী ক্রেন ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস নিয়ে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কর্ণফুলীতে পাথরবোঝাই লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৯:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরের দিকে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমির বিপরীত পাশে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই দ্রুত ও তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান চালিয়ে জাহাজে থাকা মাস্টারসহ ১২ জন ক্রু-কর্মচারীকে সম্পূর্ণ জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে কর্ণফুলী নদীর ১ নম্বর ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আংশিক ডুবে যায়। জাহাজটি দেশের সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান ‘বে হারবার লিমিটেড’-এর মালিকানাধীন এবং এটি মূলত পাথর বোঝাই করে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা জানায়, উত্তাল নদীতে চরম প্রতিকূলতার মাঝেও তারা প্রথম দফায় আটজনকে এবং পরবর্তী সময়ে বাকি আরও চারজনকে অক্ষত ও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার হওয়া সব নৌ-কর্মী বর্তমানে সুস্থ ও নিরাপদ রয়েছেন।

দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র ও চিফ পারসোনাল অফিসার মো. নাসির উদ্দিন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, লাইটার জাহাজটি মূল বন্দর চ্যানেলের বাইরে আংশিক ডুবেছে। এর ফলে কর্ণফুলী নদী দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে দেশি-বিদেশি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে চ্যানেলে নৌ-যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী, আংশিক নিমজ্জিত লাইটার জাহাজটি নদী থেকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে মালিকপক্ষ উদ্ধারকারী ক্রেন ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস নিয়ে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।