ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 163

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সনের সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সাক্ষাৎ।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মানবাধিকার বিশ্লেষক অ্যান মার্লবোরো মঙ্গলবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ে চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে মিস মার্লবোরো সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যক্রম ও প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। নির্বাচন-পরবর্তী বিবৃতির বিষয়গুলোও তিনি কমিশনকে অবহিত করেন। আলোচনায় নির্বাচনকালীন সহিংসতা, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটাধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

চেয়ারপার্সন জানান, নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-এর এখতিয়ার সম্প্রসারিত হয়েছে, যা মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করবে, যা মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রকে সুসংহত করবে।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে মানবাধিকার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় জানায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাক্ষাৎ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের মানবাধিকার বিশ্লেষক অ্যান মার্লবোরো মঙ্গলবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়ে চেয়ারপার্সন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে মিস মার্লবোরো সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যক্রম ও প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। নির্বাচন-পরবর্তী বিবৃতির বিষয়গুলোও তিনি কমিশনকে অবহিত করেন। আলোচনায় নির্বাচনকালীন সহিংসতা, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভোটাধিকার সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

চেয়ারপার্সন জানান, নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-এর এখতিয়ার সম্প্রসারিত হয়েছে, যা মানবাধিকার সুরক্ষায় কমিশনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপান্তর করবে, যা মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রকে সুসংহত করবে।

উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে মানবাধিকার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় জানায়।