ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসায় নতুন নীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / 123

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘদিনের ভিসা সুবিধায় বড় পরিবর্তন আনছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নীতির আওতায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে, যা উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে হোয়াইট হাউস। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আর শিক্ষাক্রমের পুরো সময়জুড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না; বরং শুরুতেই নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিয়মটির পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে এবং এটি এখন আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিজিটরদের ক্ষেত্রে নতুন সময়ভিত্তিক অবস্থান ব্যবস্থা চালু হবে।

বর্তমানে এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক কার্যক্রম চলমান থাকা এবং ভিসার শর্ত মেনে চলার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। তবে নতুন নিয়মে দেশটিতে প্রবেশের সময়ই তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট বৈধতার মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পড়াশোনা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে। অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত মেয়াদের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সম্ভব হবে না।

এই পরিবর্তনের আওতায় শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ ভিজিটর, নির্দিষ্ট শ্রেণির বিদেশি সাংবাদিক এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ চার বছরের অবস্থানসীমা নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নীতির ফলে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীরা বেশি প্রভাবিত হতে পারেন। বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং পড়াশোনা-পরবর্তী পেশাগত পরিকল্পনায় নতুন প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান কিছু নমনীয় সুবিধা ও আইনি সুযোগও সীমিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মার্কিন শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসায় নতুন নীতি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘদিনের ভিসা সুবিধায় বড় পরিবর্তন আনছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন নীতির আওতায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে, যা উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে হোয়াইট হাউস। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আর শিক্ষাক্রমের পুরো সময়জুড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না; বরং শুরুতেই নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

মার্কিন প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর নিয়মটির পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে এবং এটি এখন আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিজিটরদের ক্ষেত্রে নতুন সময়ভিত্তিক অবস্থান ব্যবস্থা চালু হবে।

বর্তমানে এফ-১ ভিসাধারী শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক কার্যক্রম চলমান থাকা এবং ভিসার শর্ত মেনে চলার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারেন। তবে নতুন নিয়মে দেশটিতে প্রবেশের সময়ই তাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট বৈধতার মেয়াদ নির্ধারণ করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পড়াশোনা শেষ না হলে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময়ের জন্য পৃথকভাবে আবেদন করতে হবে। অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত মেয়াদের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সম্ভব হবে না।

এই পরিবর্তনের আওতায় শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ ভিজিটর, নির্দিষ্ট শ্রেণির বিদেশি সাংবাদিক এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বোচ্চ চার বছরের অবস্থানসীমা নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন নীতির ফলে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার শিক্ষার্থীরা বেশি প্রভাবিত হতে পারেন। বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং পড়াশোনা-পরবর্তী পেশাগত পরিকল্পনায় নতুন প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান কিছু নমনীয় সুবিধা ও আইনি সুযোগও সীমিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে মার্কিন শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।