ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাই বড় চ্যালেঞ্জ: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 102

রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাকে এখন দেশের অর্থনীতির মূল চাপের জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

রোববার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’ এর আওতায় আয়োজিত বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

স্পিকার বলেন, বাজেট ডিব্রিফিংয়ের মতো উদ্যোগ সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁর মতে, জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের ধারণা ও সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও ইঙ্গিত করেন যে তথ্য ও উপাত্তভিত্তিক বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। সংসদ লাইব্রেরির তথ্যভান্ডার ব্যবহারের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা আর্থিক নীতি ও কৌশল আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ পাচ্ছেন।

স্পিকারের বক্তব্যে উঠে আসে অংশগ্রহণমূলক আলোচনার গুরুত্বও। তাঁর ভাষায়, বাজেট নিয়ে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় আগ্রহ জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ জনগণ এখন সংসদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত এ ধরনের কর্মসূচিকে সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এতে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়ে এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রও তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত হয়। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই সংসদকে ঘিরে জনআকাঙ্ক্ষা ছিল উচ্চ। তাঁর পর্যবেক্ষণে, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংসদ এখন এক ধরনের ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে কাজ করছে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এর কার্যক্রম নজরে রাখছে।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বাস্তবভিত্তিক বাজেট উপস্থাপন করেছে। তিনি বাজেট হেল্পডেস্ককে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে কার্যকর সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় আরও সহজলভ্য হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, হুইপ, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাই বড় চ্যালেঞ্জ: স্পিকার

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাকে এখন দেশের অর্থনীতির মূল চাপের জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

রোববার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’ এর আওতায় আয়োজিত বাজেট বিষয়ক ডিব্রিফিং সেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি।

স্পিকার বলেন, বাজেট ডিব্রিফিংয়ের মতো উদ্যোগ সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁর মতে, জাতীয় বাজেট ও সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের ধারণা ও সক্ষমতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও ইঙ্গিত করেন যে তথ্য ও উপাত্তভিত্তিক বাজেট বিশ্লেষণে বাজেট হেল্পডেস্ক একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। সংসদ লাইব্রেরির তথ্যভান্ডার ব্যবহারের মাধ্যমে সংসদ সদস্যরা আর্থিক নীতি ও কৌশল আরও গভীরভাবে বোঝার সুযোগ পাচ্ছেন।

স্পিকারের বক্তব্যে উঠে আসে অংশগ্রহণমূলক আলোচনার গুরুত্বও। তাঁর ভাষায়, বাজেট নিয়ে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় আগ্রহ জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, কারণ জনগণ এখন সংসদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত এ ধরনের কর্মসূচিকে সংসদীয় প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এতে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়ে এবং জবাবদিহিতার ক্ষেত্রও তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত হয়। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই সংসদকে ঘিরে জনআকাঙ্ক্ষা ছিল উচ্চ। তাঁর পর্যবেক্ষণে, জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সংসদ এখন এক ধরনের ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে কাজ করছে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এর কার্যক্রম নজরে রাখছে।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি বলেন, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বাস্তবভিত্তিক বাজেট উপস্থাপন করেছে। তিনি বাজেট হেল্পডেস্ককে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে কার্যকর সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় আরও সহজলভ্য হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, হুইপ, আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।