ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাইসেন্স সহজ করতে অস্থায়ী অনুমোদন দেবে সরকার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 11

দেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে গতি দিতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও সমন্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে কিছু ক্ষেত্রে অস্থায়ী লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

রোববার সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া নেতৃত্ব দেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ যাতে দীর্ঘসূত্রতায় আটকে না পড়ে, সে জন্য সরকার অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সময়ের মধ্যে আনার একটি রূপরেখা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক কেন্দ্রীয় ‘ওয়ান-স্টপ উইন্ডো’ চালুর কাজও এগোচ্ছে, যেখানে এক জায়গা থেকেই প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাবে। এতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হবে না।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, শিল্পকারখানা বা ভৌত অবকাঠামো স্থাপনের অনুমোদন এক ধরনের জটিল প্রক্রিয়া, যা নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে সব ক্ষেত্রে শেষ করা বাস্তবসম্মত নয়। নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো যাচাই করেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হয় বলে তিনি জানান।

এই প্রক্রিয়াকে আরও সমন্বিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন একত্রে করা হবে। নির্ধারিত সময়ে একবারেই পরিদর্শন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা থাকলে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমবে।

বৈঠকে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে পরিবহন খাতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনে যাওয়া এখনই সম্ভব নয়, তাই আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জেবিসিসিআই প্রতিনিধিদল বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ, শিল্প স্থাপন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ করার আহ্বান জানায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

লাইসেন্স সহজ করতে অস্থায়ী অনুমোদন দেবে সরকার

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

দেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে গতি দিতে লাইসেন্সিং ও অনুমোদন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও সমন্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে কিছু ক্ষেত্রে অস্থায়ী লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

রোববার সকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে জেবিসিসিআই সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া নেতৃত্ব দেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ যাতে দীর্ঘসূত্রতায় আটকে না পড়ে, সে জন্য সরকার অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সময়ের মধ্যে আনার একটি রূপরেখা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক কেন্দ্রীয় ‘ওয়ান-স্টপ উইন্ডো’ চালুর কাজও এগোচ্ছে, যেখানে এক জায়গা থেকেই প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া যাবে। এতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হবে না।

তবে তিনি উল্লেখ করেন, শিল্পকারখানা বা ভৌত অবকাঠামো স্থাপনের অনুমোদন এক ধরনের জটিল প্রক্রিয়া, যা নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে সব ক্ষেত্রে শেষ করা বাস্তবসম্মত নয়। নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা, পরিবেশ ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো যাচাই করেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হয় বলে তিনি জানান।

এই প্রক্রিয়াকে আরও সমন্বিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার পরিদর্শন একত্রে করা হবে। নির্ধারিত সময়ে একবারেই পরিদর্শন সম্পন্ন করার ব্যবস্থা থাকলে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমবে।

বৈঠকে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে পরিবহন খাতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় পুরোপুরি বৈদ্যুতিক যানবাহনে যাওয়া এখনই সম্ভব নয়, তাই আপাতত প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জেবিসিসিআই প্রতিনিধিদল বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ, শিল্প স্থাপন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ করার আহ্বান জানায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।