ভারত–বাংলাদেশজুড়ে জিয়াউলের ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ ছিল: চিফ প্রসিকিউটর
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
- / 114
ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তৃত এলাকায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে একটি হত্যাকাণ্ড-নির্ভর নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। রোববার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে দেওয়া সাক্ষ্যে এমন একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যা তদন্তকে নতুন দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সাক্ষ্যে জাফলংয়ে একটি বিশেষ অভিযানের বর্ণনা এসেছে, যেখানে র্যাবের টিএফআই সেল থেকে আনা দুই আসামিকে নিয়ে একদল সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের সঙ্গে সেখানে যান। পরে সেখানে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা কয়েকজন ব্যক্তি আরও দুই আসামি নিয়ে উপস্থিত হন এবং বিভিন্ন বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, সাক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী ওই দুই ব্যক্তিকে পরে রাস্তার পাশে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়, যার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে। তার ভাষায়, এসব ঘটনা একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়, যা শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সীমান্ত পেরিয়েও বিস্তৃত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেন যে, ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের ওই ব্যক্তিদের আনা দুজনের নাগরিকত্ব—তারা ভারতীয় না বাংলাদেশি—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরেক অংশের বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর জানান, বিডিআরের কয়েকজন সদস্যকে বিভিন্ন সময়ে আটক করে দুই ভিন্ন পদ্ধতিতে হত্যার অভিযোগও এসেছে। কোথাও ইনজেকশন পুশ করে, আবার কোথাও মাথায় গুলি করে হত্যা করার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সাক্ষীর ভাষ্য অনুযায়ী, এভাবে অন্তত ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
































