ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
অভিযোগ আয়োজকদের

জেমসকে ‘টাকা বানানোর যন্ত্র’ করছেন ম্যানেজার রবিন

বিনোদন প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 10

জেমসকে ‘টাকা বানানোর যন্ত্র’ করছেন ম্যানেজার রবিন

নগরবাউলখ্যাত শিল্পী জেমসের সাম্প্রতিক ইতালি সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জেমসের দীর্ঘদিনের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের বিরুদ্ধে আর্থিক অস্বচ্ছতা, চুক্তি ভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিল্পীকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছে ইতালি সফরের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘দেশি ইভেন্টস এবিজেন’।

রোববার (২৩ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির সিইও হোসাইন আহমেদ মোয়াজ দাবি করেন, তাদের প্রতিবাদ জেমসের বিরুদ্ধে নয়; বরং তার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত রবিনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে।

আয়োজকদের দাবি, জেমসের ইতালি সফরের বিভিন্ন ব্যয় বাবদ তারা ৩০ হাজার ইউরোর বেশি অর্থ পরিশোধ করেছেন। তবে এসব অর্থের বিষয়ে রবিনের কাছ থেকে স্বচ্ছ হিসাব পাওয়া যায়নি এবং চুক্তির শর্তও যথাযথভাবে মানা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

এ ছাড়া আয়োজকদের পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থে জেমসকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে রবিনের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও ইন্টারভিউয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ চাওয়া হয়েছে বলেও আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

নগরবাউল জেমসের বিরুদ্ধে ইতালিতে মামলা
নগরবাউল জেমসের বিরুদ্ধে ইতালিতে মামলা

রোমে সফরের শেষ পর্যায়েও আয়োজকদের সঙ্গে রবিনের বিরোধ তৈরি হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দাবি, জেমস ও সফরসঙ্গীদের জন্য গাড়ি ও ভিআইপি ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলেও আয়োজকদের না জানিয়ে অন্য গাড়িতে জেমসকে নিয়ে চলে যান রবিন।

গত ১৮ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি একপর্যায়ে পুলিশের মধ্যস্থতা পর্যন্ত গড়ায় বলেও দাবি করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি। তাদের অভিযোগ, পরদিন বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি।

বিবৃতিতে হোসাইন আহমেদ মোয়াজ বলেন, তাদের লড়াই জেমসের বিরুদ্ধে নয়। বরং একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে ঘিরে আর্থিক স্বার্থসিদ্ধির যে চক্র তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিয়েছেন। জেমসকে কোনোভাবেই ‘টাকা কামানোর মেশিনে’ পরিণত করতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, আয়োজকদের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আয়োজকদের আচরণ প্রায়ই বদলে যায়। তার দাবি, অতীতেও শিল্পীরাই বিভিন্নভাবে প্রতারিত হয়েছেন। এবার তাদের সঙ্গে পেরে না উঠে আয়োজকরা মনগড়া ও কাল্পনিক গল্প ছড়াচ্ছেন।

ফলে জেমসের ইতালি সফরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিযোগ আয়োজকদের

জেমসকে ‘টাকা বানানোর যন্ত্র’ করছেন ম্যানেজার রবিন

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

নগরবাউলখ্যাত শিল্পী জেমসের সাম্প্রতিক ইতালি সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জেমসের দীর্ঘদিনের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের বিরুদ্ধে আর্থিক অস্বচ্ছতা, চুক্তি ভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও শিল্পীকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছে ইতালি সফরের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘দেশি ইভেন্টস এবিজেন’।

রোববার (২৩ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির সিইও হোসাইন আহমেদ মোয়াজ দাবি করেন, তাদের প্রতিবাদ জেমসের বিরুদ্ধে নয়; বরং তার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত রবিনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে।

আয়োজকদের দাবি, জেমসের ইতালি সফরের বিভিন্ন ব্যয় বাবদ তারা ৩০ হাজার ইউরোর বেশি অর্থ পরিশোধ করেছেন। তবে এসব অর্থের বিষয়ে রবিনের কাছ থেকে স্বচ্ছ হিসাব পাওয়া যায়নি এবং চুক্তির শর্তও যথাযথভাবে মানা হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

এ ছাড়া আয়োজকদের পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিগত আর্থিক স্বার্থে জেমসকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে রবিনের বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও ইন্টারভিউয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ চাওয়া হয়েছে বলেও আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

নগরবাউল জেমসের বিরুদ্ধে ইতালিতে মামলা
নগরবাউল জেমসের বিরুদ্ধে ইতালিতে মামলা

রোমে সফরের শেষ পর্যায়েও আয়োজকদের সঙ্গে রবিনের বিরোধ তৈরি হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের দাবি, জেমস ও সফরসঙ্গীদের জন্য গাড়ি ও ভিআইপি ট্রেনের ব্যবস্থা করা হলেও আয়োজকদের না জানিয়ে অন্য গাড়িতে জেমসকে নিয়ে চলে যান রবিন।

গত ১৮ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি একপর্যায়ে পুলিশের মধ্যস্থতা পর্যন্ত গড়ায় বলেও দাবি করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি। তাদের অভিযোগ, পরদিন বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি।

বিবৃতিতে হোসাইন আহমেদ মোয়াজ বলেন, তাদের লড়াই জেমসের বিরুদ্ধে নয়। বরং একজন জনপ্রিয় শিল্পীকে ঘিরে আর্থিক স্বার্থসিদ্ধির যে চক্র তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিয়েছেন। জেমসকে কোনোভাবেই ‘টাকা কামানোর মেশিনে’ পরিণত করতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, আয়োজকদের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর আয়োজকদের আচরণ প্রায়ই বদলে যায়। তার দাবি, অতীতেও শিল্পীরাই বিভিন্নভাবে প্রতারিত হয়েছেন। এবার তাদের সঙ্গে পেরে না উঠে আয়োজকরা মনগড়া ও কাল্পনিক গল্প ছড়াচ্ছেন।

ফলে জেমসের ইতালি সফরকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।