ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • / 13

প্রস্তাবিত ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ আয়কর বহাল থাকায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)। সংগঠনটি কর প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)।

তাদের মতে, বাজেট প্রণয়নের আগে নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় কর প্রত্যাহারের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলেও তা চূড়ান্ত বাজেট প্রস্তাবে প্রতিফলিত হয়নি।

রবিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিইউবি জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি সংযোজন, ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরি সামগ্রী সংগ্রহসহ নানা খাতে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য ভ্যাট ও কর পরিশোধ করছে।

এর সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আয়কর যুক্ত থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে, যা উচ্চশিক্ষার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সংগঠনটির ভাষ্য, ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে এসব প্রতিষ্ঠানকে অলাভজনক হিসেবে পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। সেই অবস্থানে থেকে আয়কর আরোপ নীতিগতভাবে অসংগত বলে তারা মনে করছে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এটি প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

এপিইউবি কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে করমুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি ছিল।

তবে বাস্তবে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব থাকলেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তা বাড়েনি, বরং কর বহাল রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের প্রতি কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে এপিইউবি বলেছে, শিক্ষা খাতে ব্যয়কে তারা ব্যয় নয় বরং মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখে।

তাদের মতে, এই খাতে বিনিয়োগ দেশের দক্ষতা, সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০% কর প্রত্যাহারের দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৭:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

প্রস্তাবিত ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ আয়কর বহাল থাকায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)। সংগঠনটি কর প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান ১০ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)।

তাদের মতে, বাজেট প্রণয়নের আগে নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় কর প্রত্যাহারের যৌক্তিকতা তুলে ধরা হলেও তা চূড়ান্ত বাজেট প্রস্তাবে প্রতিফলিত হয়নি।

রবিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিইউবি জানায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি সংযোজন, ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরি সামগ্রী সংগ্রহসহ নানা খাতে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য ভ্যাট ও কর পরিশোধ করছে।

এর সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আয়কর যুক্ত থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে, যা উচ্চশিক্ষার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

সংগঠনটির ভাষ্য, ২০১০ সালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে এসব প্রতিষ্ঠানকে অলাভজনক হিসেবে পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। সেই অবস্থানে থেকে আয়কর আরোপ নীতিগতভাবে অসংগত বলে তারা মনে করছে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এটি প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

এপিইউবি কার্যালয়ের পরিচালক বেলাল আহমেদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে করমুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতি ছিল।

তবে বাস্তবে শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব থাকলেও উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় তা বাড়েনি, বরং কর বহাল রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি, অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের প্রতি কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে এপিইউবি বলেছে, শিক্ষা খাতে ব্যয়কে তারা ব্যয় নয় বরং মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে দেখে।

তাদের মতে, এই খাতে বিনিয়োগ দেশের দক্ষতা, সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।