ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 92

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের ১১দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের গাড়িতে হামলা ও অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলার কসবা উপজেলায় পৌর জামায়াতে ইসলামের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

এ সময় মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করে বলেন, তোলাতালা কেন্দ্রের এজেন্ট শফিকুল ইসলামের মা অসুস্থ থাকায় তিনি তাকে দেখতে যান। পরে স্থানীয় ১০ জন কেন্দ্র প্রতিনিধি নিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। কুশলাদি বিনিময় শেষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনে গাড়ির কাছে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা উভয় দিক থেকে তার গাড়ি, প্রতিনিধিদল এবং তাকে ঘেরাও করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি গাড়িতে উঠতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমার গাড়িচালককে মারধর করা হয়। আমাকে ও আমার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধিদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয়।’

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। তবে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তারা ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মোশাররফ, ধরখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বশির মিয়া, বিএনপি কর্মী বেলায়েত, রুবেল মিয়া মোফাজ্জলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০১:১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের ১১দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের গাড়িতে হামলা ও অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর জেলার কসবা উপজেলায় পৌর জামায়াতে ইসলামের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

এ সময় মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করে বলেন, তোলাতালা কেন্দ্রের এজেন্ট শফিকুল ইসলামের মা অসুস্থ থাকায় তিনি তাকে দেখতে যান। পরে স্থানীয় ১০ জন কেন্দ্র প্রতিনিধি নিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। কুশলাদি বিনিময় শেষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনে গাড়ির কাছে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা উভয় দিক থেকে তার গাড়ি, প্রতিনিধিদল এবং তাকে ঘেরাও করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি গাড়িতে উঠতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমার গাড়িচালককে মারধর করা হয়। আমাকে ও আমার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধিদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয়।’

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। তবে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তারা ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মোশাররফ, ধরখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বশির মিয়া, বিএনপি কর্মী বেলায়েত, রুবেল মিয়া মোফাজ্জলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।