ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • / 76

তোফায়েল আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আর নেই। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তখন থেকেই লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লেও চিকিৎসকরা তা নাকচ করেছিলেন।

তার জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য অনুযায়ী, বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা তাকে দেশব্যাপী পরিচিত করে তোলে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আর নেই। সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তখন থেকেই লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লেও চিকিৎসকরা তা নাকচ করেছিলেন।

তার জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ভাষ্য অনুযায়ী, বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা তাকে দেশব্যাপী পরিচিত করে তোলে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।