ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 58

বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান এবং সদস্য সচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, পাকিস্তানি শাসনামলে দীর্ঘদিনের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে জীবনের দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে।

তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তির পর বঙ্গবন্ধুকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে বাঙালি জাতি। পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফেরার পর তাকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

নেতারা দাবি করেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয় এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তারা এ ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের নেতারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।

একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিটি সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ জামালের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কো-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামান এবং সদস্য সচিব কৃষিবিদ মিজানুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, পাকিস্তানি শাসনামলে দীর্ঘদিনের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে জীবনের দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতে হয়েছে।

তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও অসংখ্য নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তির পর বঙ্গবন্ধুকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে বাঙালি জাতি। পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফেরার পর তাকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

নেতারা দাবি করেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয় এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তারা এ ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের নেতারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।

একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিটি সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ জামালের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।