স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না
- সর্বশেষ আপডেট ১২:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 169
রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দফতরে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ বেসামরিক নাগরিককে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নতুন কোনো তদন্ত কমিশন হবে না। স্বাধীন তদন্ত কমিশন যেসব সুপারিশ করেছে, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা ও বিচার নিশ্চিতে কাজ করা হবে।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেদিন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ বেসামরিক নাগরিককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ভয়ংকর এই হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসের কলঙ্কিত এক অধ্যায়ের সূচনা হয়।
ভয়াবহ ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে গত ১৭ বছরে বেশ কয়েকটি কমিটি ও কমিশন কাজ করে। এসব কমিটি-কমিশনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দাখিল করা হয় প্রতিবেদন। কিন্তু বাস্তবায়ন হয়নি কোনো প্রতিবেদনের সুপারিশ।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে গঠন করা হয় ৭ সদস্যবিশিষ্ট স্বাধীন তদন্ত কমিশন। এই কমিশন প্রায় ১১ মাস তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। কিন্তু ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিডিআর হত্যাকাণ্ড ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে আরো কয়েকটি কমিশন গঠন করা হয়। অন্যান্য কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি সরকার। স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বর্বর হত্যাকাণ্ডের জন্য ৫১ জনকে দায়ী করা হয়।
শহীদ পরিবারদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
































