ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘চুক্তি হবে, না হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান’: ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / 14

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ‘কাজ শেষ’ করবে বলে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যুদ্ধ নয়, বরং কূটনৈতিক সমাধানই তার অগ্রাধিকার।

সোমবার (৬ জুলাই) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমরা কাজ শেষ করব। তবে আমি চুক্তিই করতে চাই, কারণ ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ুক, তা আমি চাই না।”

তিনি আরও দাবি করেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় আঘাত হানতে সক্ষম। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে ইরানের আর্থিক অবস্থাও দুর্বল এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনো অর্থ সহায়তা দিচ্ছে না।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হলেও স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ঘোষিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চললেও তা এখনো ফলপ্রসূ হয়নি।

এদিকে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য শেষে দেশটিতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে। যুদ্ধের পর ইরান দুর্বল হয়নি; বরং জনগণের মধ্যে প্রতিরোধের মনোভাব ও ঐক্যের বার্তা স্পষ্ট হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানকে পরমাণু অস্ত্র উন্নয়ন থেকে বিরত রাখা। সেই উদ্দেশ্যেই যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘চুক্তি হবে, না হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান’: ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ‘কাজ শেষ’ করবে বলে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যুদ্ধ নয়, বরং কূটনৈতিক সমাধানই তার অগ্রাধিকার।

সোমবার (৬ জুলাই) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, “হয় আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমরা কাজ শেষ করব। তবে আমি চুক্তিই করতে চাই, কারণ ৯ কোটি ১০ লাখ মানুষের ওপর এর প্রভাব পড়ুক, তা আমি চাই না।”

তিনি আরও দাবি করেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থায় আঘাত হানতে সক্ষম। পাশাপাশি তিনি বলেন, বর্তমানে ইরানের আর্থিক অবস্থাও দুর্বল এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনো অর্থ সহায়তা দিচ্ছে না।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হলেও স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে কোনো অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ঘোষিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চললেও তা এখনো ফলপ্রসূ হয়নি।

এদিকে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য শেষে দেশটিতে ব্যাপক জনসমাগম দেখা গেছে। যুদ্ধের পর ইরান দুর্বল হয়নি; বরং জনগণের মধ্যে প্রতিরোধের মনোভাব ও ঐক্যের বার্তা স্পষ্ট হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানকে পরমাণু অস্ত্র উন্নয়ন থেকে বিরত রাখা। সেই উদ্দেশ্যেই যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না হলে পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।