জুনের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি, তদন্তের নির্দেশ
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
- / 8
জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দেশজুড়ে ওঠা অভিযোগ তদন্তে সব বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরেও রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিদ্যুৎ বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফ জুন মাস থেকে কার্যকর হওয়ায় একই অর্থে আগের তুলনায় কম ইউনিট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে অনেক গ্রাহকের কাছে বিল অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে বলে মনে হতে পারে। তবে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের আবাসিক গ্রাহকদের জন্য আগের ট্যারিফই বহাল রয়েছে।
বিভাগের ভাষ্য, মিটারের কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ বিল বেড়েছে—এমন দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে কিছু ক্ষেত্রে দাপ্তরিক ভুল শনাক্ত হয়েছে এবং সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কম বৃষ্টিপাত, তাপপ্রবাহ, ঈদুল আজহা, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এসএসসি পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক গ্রাহক উচ্চতর ট্যারিফ স্তরে পৌঁছেছেন, যা বিল বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলেছে।
প্রিপেইড মিটারের বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, যারা এককালীন অর্থ দিয়ে মিটার নিয়েছেন তাদের কোনো কিস্তি দিতে হয় না। আর কিস্তিতে নেওয়া সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের জন্য মাসে ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য ২৫০ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে মিটার ভাড়ার বিষয়টি সরকার পর্যালোচনা করছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, অধিকাংশ অভিযোগ ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। গ্রাহক হয়রানি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে বিল নিয়ে সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে বিভাগ।
































