পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
- / 18
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন বাদীপক্ষ আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। অন্যদিকে, পরীমনির আইনজীবী অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অ্যালার্জিজনিত সমস্যার কারণে পরীমনি আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত বাদীপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে তাঁর জামিন বাতিল এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
এর আগে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এ মামলায় পরীমনি ও অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। সেদিনও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৪ সালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে অপর আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে পরীমনি ও জিমকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। ২০২৪ সালের ২৫ জুন তাঁরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন।
২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। অন্য দুই আসামি হলেন ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।
মামলার এজাহারে নাসির উদ্দিন অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে পরীমনি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে অ্যালকোহল পান করেন। পরে ক্লাব ত্যাগের সময় তাঁকে একটি দামি মদের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।
এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, একপর্যায়ে পরীমনি একটি সার্ভিং গ্লাস ও নিজের হাতে থাকা মোবাইল ফোন নাসির উদ্দিনের দিকে ছুড়ে মারেন। এতে তাঁর মাথা ও বুকে আঘাত লাগে। এ ছাড়া তাঁকে মারধর, হত্যার হুমকি এবং ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগও করা হয়।
নাসির উদ্দিনের দাবি, ঘটনা ধামাচাপা দিতে পরীমনি পরে সাভার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। তবে এসব অভিযোগ মামলার বাদীর এজাহারে উল্লেখিত বক্তব্য। আদালতে এগুলোর সত্যতা বিচারাধীন।






























