ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশরাফ উদ্দিন বকুলকে মন্ত্রী করার দাবিতে সরব নেতাকর্মীরা

বশির আহম্মদ মোল্লা, নরসিংদী
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 59

আশরাফ উদ্দিন বকুলকে মন্ত্রী করার দাবিতে সরব নেতাকর্মীরা

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে। দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ দাবি জানানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল রায়পুরার উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং দীর্ঘদিনের স্থানীয় বিরোধ নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে তাঁর উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

নেতাকর্মীরা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জাতীয় সংসদে রায়পুরাসহ দেশের জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন বলেও দাবি তাদের।

রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুই পক্ষের বিরোধ ও সংঘাত নিরসনে তাঁর ভূমিকার বিষয়টিও সামনে আনছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের ফলে অনেক পরিবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বলে জানান তাঁর অনুসারীরা। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, হাটবাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরছেন তারা। এসব কারণে তাঁকে রায়পুরার উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতেও তিনি ভূমিকা রাখছেন বলে দাবি তাদের। তাঁর অনুসারীদের দাবি, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় তিনি এলাকায় ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে আশরাফ উদ্দিন বকুল
বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে আশরাফ উদ্দিন বকুল

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে মন্ত্রী করার দাবিতে বিভিন্ন পোস্ট ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সমর্থকদের কেউ কেউ তাঁর জন্য দোয়া, নামাজ ও রোজার মাধ্যমে মানত করার কথাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, রায়পুরার মানুষ তাঁকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার যে সুযোগ দিয়েছেন, সেটিকে তিনি জনগণের আমানত হিসেবে দেখেন। তিনি বলেন, রায়পুরার চরাঞ্চলসহ সমগ্র দেশের টেকসই উন্নয়নে যেকোনো দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে মেধা, প্রযুক্তি ও দক্ষতার বিকল্প নেই। একজন প্রকৌশলী হিসেবে জাতীয় অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং আধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গঠনে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান তিনি।

বকুল বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য। একই সঙ্গে দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, মন্ত্রিত্ব তাঁর কাছে কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার বিষয় নয়; এটি মানুষের সেবা করার বড় সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি তাঁকে জাতীয় মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেন, তাহলে মেধা, অভিজ্ঞতা ও সততার মাধ্যমে রায়পুরাসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আশরাফ উদ্দিন বকুলকে মন্ত্রী করার দাবিতে সরব নেতাকর্মীরা

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুলকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি উঠেছে। দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ দাবি জানানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল রায়পুরার উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ এবং দীর্ঘদিনের স্থানীয় বিরোধ নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাত নিরসনে তাঁর উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

নেতাকর্মীরা বলছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জাতীয় সংসদে রায়পুরাসহ দেশের জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলন, চাঁদাবাজি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন বলেও দাবি তাদের।

রায়পুরার চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুই পক্ষের বিরোধ ও সংঘাত নিরসনে তাঁর ভূমিকার বিষয়টিও সামনে আনছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের ফলে অনেক পরিবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বলে জানান তাঁর অনুসারীরা। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, হাটবাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরছেন তারা। এসব কারণে তাঁকে রায়পুরার উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতেও তিনি ভূমিকা রাখছেন বলে দাবি তাদের। তাঁর অনুসারীদের দাবি, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় তিনি এলাকায় ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে আশরাফ উদ্দিন বকুল
বেগম খালেদা জিয়ার সান্নিধ্যে আশরাফ উদ্দিন বকুল

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে মন্ত্রী করার দাবিতে বিভিন্ন পোস্ট ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। সমর্থকদের কেউ কেউ তাঁর জন্য দোয়া, নামাজ ও রোজার মাধ্যমে মানত করার কথাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, রায়পুরার মানুষ তাঁকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার যে সুযোগ দিয়েছেন, সেটিকে তিনি জনগণের আমানত হিসেবে দেখেন। তিনি বলেন, রায়পুরার চরাঞ্চলসহ সমগ্র দেশের টেকসই উন্নয়নে যেকোনো দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে মেধা, প্রযুক্তি ও দক্ষতার বিকল্প নেই। একজন প্রকৌশলী হিসেবে জাতীয় অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং আধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গঠনে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান তিনি।

বকুল বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য। একই সঙ্গে দুর্নীতি, অনিয়ম, সন্ত্রাস, মাদক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল বলেন, মন্ত্রিত্ব তাঁর কাছে কোনো পদ-পদবি বা ক্ষমতার বিষয় নয়; এটি মানুষের সেবা করার বড় সুযোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি তাঁকে জাতীয় মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেন, তাহলে মেধা, অভিজ্ঞতা ও সততার মাধ্যমে রায়পুরাসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।