ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খামেনির জানাজা নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / 20

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় উপস্থিত দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাইলে একটি হামলাতেই আঘাত হানতে পারত। তবে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতেই এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত ছিল ওয়াশিংটন।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খামেনির জানাজার পুরো আয়োজন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

তার দাবি, ‘তারা সবাই সেখানে ছিলেন। মাত্র একটি আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি। কারণ, তাহলে আলোচনার জন্য আর কেউই থাকত না।’

ট্রাম্পের ভাষ্য, সামরিক হামলার পরিবর্তে আলোচনার সুযোগ অক্ষুণ্ন রাখাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল। এ কারণেই জানাজার সময় কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়নি।

তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তার ভাষায়, ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের পর তেহরান এখন চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্প জানান, খামেনির জানাজা ও শোক পালনের সময় পারমাণবিক আলোচনা প্রায় এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছিল। ওই সময়ে কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না বলেও সমঝোতা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানের শোকানুষ্ঠান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মানুষের কান্না দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক ইরানিই খামেনিকে পছন্দ করতেন না। তাই তার মতে, ওই শোকের একটি অংশ ‘মায়াকান্না’ও হতে পারে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খামেনির জানাজা নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় উপস্থিত দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাইলে একটি হামলাতেই আঘাত হানতে পারত। তবে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতেই এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত ছিল ওয়াশিংটন।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খামেনির জানাজার পুরো আয়োজন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

তার দাবি, ‘তারা সবাই সেখানে ছিলেন। মাত্র একটি আঘাতেই আমরা তাদের সবাইকে শেষ করে দিতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি। কারণ, তাহলে আলোচনার জন্য আর কেউই থাকত না।’

ট্রাম্পের ভাষ্য, সামরিক হামলার পরিবর্তে আলোচনার সুযোগ অক্ষুণ্ন রাখাই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল। এ কারণেই জানাজার সময় কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়নি।

তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তার ভাষায়, ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের পর তেহরান এখন চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্প জানান, খামেনির জানাজা ও শোক পালনের সময় পারমাণবিক আলোচনা প্রায় এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছিল। ওই সময়ে কোনো পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না বলেও সমঝোতা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানের শোকানুষ্ঠান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মানুষের কান্না দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক ইরানিই খামেনিকে পছন্দ করতেন না। তাই তার মতে, ওই শোকের একটি অংশ ‘মায়াকান্না’ও হতে পারে।