‘নিরাপত্তা যেন সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে’
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- / 27
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সরকারপ্রধানের সংযোগও বজায় রাখতে হবে। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে সাজানো উচিত নয়, যাতে জনগণ নিজেদের সরকারপ্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করেন।
রোববার প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। তাই নিরাপত্তা কৌশল যেন সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।”
তিনি বলেন,
রাজধানী থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন জনসভা ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয়। এসব অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এ দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, একটি দেশের সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের সাহস এবং গৌরবের প্রতীক। মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা বাংলাদেশের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি জানান, সাইবার যুদ্ধ, ড্রোন যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ও তথ্যযুদ্ধের মতো নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিজিআরসহ সব বাহিনীকে আধুনিক প্রযুক্তি ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যরা সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত। তাদের পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের মাধ্যমে বাহিনীর দক্ষতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর ও এসএসএফের মতো বিশেষায়িত বাহিনীকেও আরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা এবং ‘চেইন অব কমান্ড’ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এসব মূল্যবোধ বজায় থাকলে দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় চলতি বছর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় পিজিআরকে অভিনন্দন জানান এবং বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বশীল ও পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করেন।





































