ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই হত্যাকাণ্ডে ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / 10

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় আমির হোসেনকে গুলি এবং নাদিম ও মায়া ইসলামকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন এবং আরেকজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

রোববার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং পলাতক সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় পাঠ শুরু হয় সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে। শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর আদালতের অনুমতিক্রমে রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

রায়ের আগে একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার বাকি চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলির হাত থেকে বাঁচতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন আমির হোসেন। পুলিশ তার পিছু নিয়ে ভবনে উঠে যায়। একপর্যায়ে তিনি ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তাকে লক্ষ্য করে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই হত্যাকাণ্ডে ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় রামপুরায় আমির হোসেনকে গুলি এবং নাদিম ও মায়া ইসলামকে হত্যার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন এবং আরেকজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

রোববার (২৮ জুন) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড এবং পলাতক সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় পাঠ শুরু হয় সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে। শুনানির শুরুতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর আদালতের অনুমতিক্রমে রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

রায়ের আগে একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার বাকি চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলির হাত থেকে বাঁচতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন আমির হোসেন। পুলিশ তার পিছু নিয়ে ভবনে উঠে যায়। একপর্যায়ে তিনি ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তাকে লক্ষ্য করে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।