হয়রানি কমাতে ডিজিটাল কর ব্যবস্থার তাগিদ: আইসিএবি’র
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
- / 37
দেশের অভ্যন্তরীণ কর বা রাজস্ব আদায়ে সাধারণ করদাতাদের হয়রানি ও ভোগান্তি লাঘব করতে একটি সম্পূর্ণ ‘ডিজিটাল কর ব্যবস্থা’ চালু করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন দেশের প্রথম সারির গবেষকেরা। আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরের দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত ‘দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ’ (আইসিএবি)-এর নিজস্ব অডিটোরিয়ামে সদ্য ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এই তাগিদ দেওয়া হয়। ‘প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের ভাবনা’ শীর্ষক এই সংবাদ সম্মেলনে আইসিএবি’র বিশেষজ্ঞ ও গবেষকেরা অর্থনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আইসিএবি’র বর্তমান সভাপতি এন কে এ মবিন দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, সরকার ঘোষিত বিশাল রাজস্ব আহরণের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি সমন্বিত প্রয়াস এবং কঠোর ও স্বচ্ছ নজরদারি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে আরও গতিশীল ও নিয়মতান্ত্রিক করতে তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও সুপারিশ সরকারের প্রতি পেশ করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দেশের সব ধরনের মৌলিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবসায়িক পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে ‘বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার’ বা বিআইএন (BIN) বাধ্যতামূলক করা। একই সাথে দেশের প্রচলিত কাস্টমস বা শুল্ক আইনে রপ্তানিমুখী বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও শিল্প কার্যক্রমকে আরও বেশি সহজতর ও ব্যবসাবান্ধব করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান তিনি।
আইসিএবি’র অর্থনীতিবিদ ও গবেষকেরা মনে করছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের পক্ষ থেকে যে বিশাল আকারের ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের বিশাল ও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জন করা বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে বেশ চ্যালেঞ্জিং। আর এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে পূরণ করতে হলে রাজস্ব খাতের প্রচলিত কাঠামোতে একটি সমন্বিত ও আমূল সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই বলে ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।


































