রামিসা হত্যাকাণ্ড
ঘাতক জাকিরকে নিয়ে স্ত্রীর চাঞ্চল্যকর তথ্য
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৪১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
- / 215
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানাকে নিয়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ভয়ংকর তথ্য দিয়েছেন। পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, জাকির বিকৃত মানসিকতাসম্পন্ন অপরাধী এবং সে তার স্ত্রীকেও নিয়মিত নির্যাতন করত। মঙ্গলবার পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের পর ঘাতক জাকির জানালা কেটে পালালেও পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে। এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে আলামত গোপনের সহযোগী হিসেবে স্ত্রী স্বপ্নাকেও আটক করা হয়েছে।
রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় শিশু খুনের নির্মম ও পৈশাচিক ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, মাত্র দুই মাস আগে ওই ভবনে ভাড়া আসা এক রিকশা মেকানিকের ফ্ল্যাটে এই নৃশংসতা চালানো হয়। মূলত রামিসা হত্যাকাণ্ড : ঘাতক জাকিরকে নিয়ে স্ত্রীর চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। ডিবির প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানোর পর প্রমাণ মুছতেই তাকে হত্যা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, বিকৃত যৌন লালসার বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল। বর্তমানে রামিসা হত্যাকাণ্ড : ঘাতক জাকিরকে নিয়ে স্ত্রীর চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ ধারণা করছে, লাশ গুম করার উদ্দেশ্যেই মাথা ও হাত কেটে আলাদা করা হয়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ইতিপূর্বে নাটোরেও এই জাকিরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ছিল।
রামিসার মা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেয়ের খোঁজে ওই ফ্ল্যাটের সামনে গিয়ে রামিসার জুতো দেখতে পান। বর্তমানে রামিসা হত্যাকাণ্ড : ঘাতক জাকিরকে নিয়ে স্ত্রীর চাঞ্চল্যকর তথ্য আসার পাশাপাশি পুলিশ জানায়, রামিসার মা যখন দরজায় নক করছিলেন তখন ভেতরে খুন করা হচ্ছিল। ঘাতক স্বামী যেন জানালার গ্রিল কেটে সহজে পালাতে পারে, সেজন্য স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা খোলেননি। পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে জাকিরকে এবং ফ্ল্যাট থেকে স্বপ্নাকে গ্রেফতার করা হয়। পরিশেষে বলা যায়, এই নির্মম অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা জরুরি।




































