১৮ বছরে সাংবিধানিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
- / 15
গত ১৮ বছরে দেশের সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সাংবিধানিক, স্বায়ত্তশাসিত ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ভঙ্গুর এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকার রাষ্ট্রীয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সরকার কাজ করছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং দেশের সরকারি পাবলিক লাইব্রেরিগুলোকে সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা বিলুপ্তপ্রায় ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, পুঁথিসাহিত্য, খনার বচন, লালনগীতি, জারি-সারি গানসহ বিভিন্ন লোকসংস্কৃতির উপাদান ও পাণ্ডুলিপি অনুসন্ধান এবং সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অশালীন যাত্রাপালা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিহারের আহ্বান জানিয়ে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে অশালীন নৃত্য বা অশালীন অঙ্গভঙ্গিনির্ভর যাত্রাপালার কোনো সম্পর্ক নেই। ঐতিহ্যভিত্তিক সুস্থ যাত্রাপালা ও লোকসংস্কৃতি বিকাশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান লিটন, অঙ্কুর নাট্য একাডেমির পরিচালক নাজিমুদ্দিন জুলিয়াসসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
































