ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে ১১ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 125

আগামী বাজেটকে সামনে রেখে রেস্তোরাঁ খাতের সংকট নিরসনে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। ভ্যাট-কর কমানো, এলপিজি সংকট সমাধান, গ্যাস সংযোগ চালু ও বিভিন্ন দপ্তরের হয়রানি বন্ধের দাবি তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, করোনা পরবর্তী ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় রেস্তোরাঁ খাত গভীর সংকটে পড়েছে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও কমছে ক্রেতা উপস্থিতি।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি রেস্তোরাঁ চালু করতে ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদন লাগে, যা পেতে কয়েক মাস সময় ও অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়। এ কারণে দ্রুত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— ভ্যাট ও কর কমানো, এলপিজি সংকট সমাধান, লাইনের গ্যাস সংযোগ চালু, বিভিন্ন দপ্তরের হয়রানি বন্ধ, ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজি রোধ, রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে বাস্তবায়ন, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সহজ করা, করপোরেট আগ্রাসন নিয়ন্ত্রণ, গরুর মাংস আমদানির অনুমতি, অদক্ষ শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দেশে প্রায় ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ অনিবন্ধিত। নিয়ম না মেনে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সুশৃঙ্খল ব্যবসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন হবে।

এছাড়া রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে পূর্ণ বাস্তবায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা, গরুর মাংস আমদানির অনুমতি এবং অদক্ষ শ্রমিকদের সরকারি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও দাবি করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রেস্তোরাঁ খাত বাঁচাতে ১১ দফা দাবি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

আগামী বাজেটকে সামনে রেখে রেস্তোরাঁ খাতের সংকট নিরসনে ১১ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। ভ্যাট-কর কমানো, এলপিজি সংকট সমাধান, গ্যাস সংযোগ চালু ও বিভিন্ন দপ্তরের হয়রানি বন্ধের দাবি তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, করোনা পরবর্তী ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় রেস্তোরাঁ খাত গভীর সংকটে পড়েছে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও কমছে ক্রেতা উপস্থিতি।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি রেস্তোরাঁ চালু করতে ১০ থেকে ১২ ধরনের অনুমোদন লাগে, যা পেতে কয়েক মাস সময় ও অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়। এ কারণে দ্রুত ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে— ভ্যাট ও কর কমানো, এলপিজি সংকট সমাধান, লাইনের গ্যাস সংযোগ চালু, বিভিন্ন দপ্তরের হয়রানি বন্ধ, ট্রেড ইউনিয়নের নামে চাঁদাবাজি রোধ, রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে বাস্তবায়ন, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সহজ করা, করপোরেট আগ্রাসন নিয়ন্ত্রণ, গরুর মাংস আমদানির অনুমতি, অদক্ষ শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দেশে প্রায় ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ অনিবন্ধিত। নিয়ম না মেনে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে সুশৃঙ্খল ব্যবসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন হবে।

এছাড়া রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্প হিসেবে পূর্ণ বাস্তবায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা, গরুর মাংস আমদানির অনুমতি এবং অদক্ষ শ্রমিকদের সরকারি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও দাবি করা হয়।