ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৪০ সালের মধ্যে ৫.৫৭ কোটি পর্যটক আনার লক্ষ্য সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 7

২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং প্রায় ২ কোটি ১৯ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে একটি বড় আকারের পর্যটন মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, ২০২৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময়কে সামনে রেখে একটি সমন্বিত ‘ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান’ প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে খাতটির দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

মন্ত্রী জানান, এই পরিকল্পনার আওতায় পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও নীতিগত সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটনকে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে সরকার প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার ট্যুর গাইড, অপারেটর ও সেবাকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে।

পরিকল্পনায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা ও উপকূলীয় এলাকায় ইকো-ট্যুরিজম এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২০৪০ সালের মধ্যে ৫.৫৭ কোটি পর্যটক আনার লক্ষ্য সরকারের

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৫ কোটি ৫৭ লাখ পর্যটক আকর্ষণ এবং প্রায় ২ কোটি ১৯ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে একটি বড় আকারের পর্যটন মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, ২০২৬ থেকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত সময়কে সামনে রেখে একটি সমন্বিত ‘ট্যুরিজম মেগা প্ল্যান’ প্রণয়ন করা হচ্ছে, যেখানে খাতটির দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

মন্ত্রী জানান, এই পরিকল্পনার আওতায় পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও নীতিগত সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পর্যটনকে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করে সরকার প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে। ইতোমধ্যে কয়েক হাজার ট্যুর গাইড, অপারেটর ও সেবাকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে।

পরিকল্পনায় টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা ও উপকূলীয় এলাকায় ইকো-ট্যুরিজম এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।