ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে সাবেক কাউন্সিলর আজাদ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 109

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কোনাবাড়ী থানাধীন নছের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবুল কালাম আজাদ কোনাবাড়ী থানার নছের মার্কেট এলাকার আব্দুল পালোয়ানের ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। তিনি গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত কলেজছাত্র মো. হৃদয় (২০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কোনাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসিফ ইকবাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, হৃদয় হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল কালাম আজাদ কালের ভিটা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাজীপুরে সাবেক কাউন্সিলর আজাদ গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৪:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কোনাবাড়ী থানাধীন নছের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবুল কালাম আজাদ কোনাবাড়ী থানার নছের মার্কেট এলাকার আব্দুল পালোয়ানের ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। তিনি গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত কলেজছাত্র মো. হৃদয় (২০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে।

কোনাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসিফ ইকবাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, হৃদয় হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আবুল কালাম আজাদ কালের ভিটা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে জিএমপি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।