২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা এগিয়ে আনার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:২১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / 77
শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সেশনজট নিরসনে ২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠিত হবে। মূলত ভর্তি প্রক্রিয়ার সময়সূচি এগিয়ে আনতে এবং কোচিং নির্ভরতা কমাতে ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন বদলি নীতিমালা ও সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সেশনজট দূর করার লক্ষ্যে ২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের বেশ আগেই অনুষ্ঠিত হবে। সরকার এখন থেকে ডিসেম্বর মাসকে পরীক্ষার মাস হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা নিয়েছে। মূলত রেজাল্ট প্রকাশের পরপরই যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা যায়, সেজন্যই এই উদ্যোগ। ফলে শিক্ষার্থীদের সেশনজটে পড়ার ভয় আর থাকবে না।
মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অযথা কোচিং সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজন ফুরিয়ে আসবে। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমন্বয় করে পুরো শিক্ষা ক্যালেন্ডার সাজানো হচ্ছে। এর ফলে কোনো স্তরেই গ্যাপ থাকবে না এবং নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চলবে। মূলত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় শৃঙ্খলা ফেরানোই সরকারের এই নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
শিক্ষকদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের নিজ জেলায় বদলির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এর জন্য একটি বিশেষ সফটওয়্যার ডেভেলপ করা হচ্ছে। মূলত হেডমাস্টারসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারীকে এই বদলি নীতিমালার আওতায় আনা হবে। ফলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে যাচ্ছে এবং তারা স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ কর্মস্থলে কাজ করতে পারবেন।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। মূলত এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা এগিয়ে আনা এবং বদলি নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে প্রশাসনিক জটিলতা অনেক কমে আসবে। এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অবশেষে বলা যায়, সরকারের এই সমন্বয়মূলক উদ্যোগ শিক্ষা খাতের অস্থিরতা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

































