ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 43

ছবি সংগৃহীত

সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার গত ১৫ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পর ঢাকার একটি আদালত এ আদেশ দেন।

সোমবার (১৮ মে) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আদেশটি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম আবেদন করেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে পলক বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি দুদকের।

এছাড়া তাদের ৩১টি ব্যাংক হিসাবে ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ টাকা জমা এবং ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। এসব অস্বাভাবিক লেনদেন মানিলন্ডারিংয়ের আওতায় পড়তে পারে বলে ধারণা করছে দুদক।

দুদক জানায়, ২০০৮-০৯ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড তদন্তের জন্য জরুরি। তথ্য গোপন বা সম্পদ সরিয়ে ফেলার আশঙ্কায় আদালতের মাধ্যমে নথি জব্দের আবেদন করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। নথি জব্দ না হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্ত্রীসহ পলকের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও তার স্ত্রী আরিফা জেসমিন কনিকার গত ১৫ বছরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পর ঢাকার একটি আদালত এ আদেশ দেন।

সোমবার (১৮ মে) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ আদেশটি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম আবেদন করেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে পলক বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি দুদকের।

এছাড়া তাদের ৩১টি ব্যাংক হিসাবে ২২ কোটি ৯৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৭৯ টাকা জমা এবং ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৭৭ টাকা উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। এসব অস্বাভাবিক লেনদেন মানিলন্ডারিংয়ের আওতায় পড়তে পারে বলে ধারণা করছে দুদক।

দুদক জানায়, ২০০৮-০৯ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড তদন্তের জন্য জরুরি। তথ্য গোপন বা সম্পদ সরিয়ে ফেলার আশঙ্কায় আদালতের মাধ্যমে নথি জব্দের আবেদন করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। নথি জব্দ না হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।