ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের ঘাড়ে ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বুঝা: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 26

সরকার বর্তমানে বিপুল ঋণের ভার বহন করছে এবং আগের প্রশাসনের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চাপ সামলাতে হচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত দুই বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।

উত্তরা এলাকায় মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বুধবার (১৩ মে) তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান সরকারকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের দায় সামলাতে হচ্ছে। তার ভাষায়, আগের সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামোর ভার এখনকার প্রশাসনের ওপর এসে পড়েছে। এ অবস্থায় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন আছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন এড়িয়ে চলা জরুরি। তার মতে, সমাজে বিভাজন তৈরি হলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ধর্মীয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক সময় ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও সন্দেহ ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ঘটনায় উসকে দেওয়া হয়েছিল বলে তার দাবি। তবে বর্তমান সময়ে কিছুটা হলেও শান্তিপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে এসেছে—এ অনুষ্ঠান তারই একটি উদাহরণ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সরকারের ঘাড়ে ৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণের বুঝা: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সরকার বর্তমানে বিপুল ঋণের ভার বহন করছে এবং আগের প্রশাসনের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চাপ সামলাতে হচ্ছে—এমন মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে অন্তত দুই বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।

উত্তরা এলাকায় মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বুধবার (১৩ মে) তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান সরকারকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের দায় সামলাতে হচ্ছে। তার ভাষায়, আগের সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অর্থনৈতিক কাঠামোর ভার এখনকার প্রশাসনের ওপর এসে পড়েছে। এ অবস্থায় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন আছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন এড়িয়ে চলা জরুরি। তার মতে, সমাজে বিভাজন তৈরি হলে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

ধর্মীয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক সময় ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও সন্দেহ ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ঘটনায় উসকে দেওয়া হয়েছিল বলে তার দাবি। তবে বর্তমান সময়ে কিছুটা হলেও শান্তিপূর্ণ সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে এসেছে—এ অনুষ্ঠান তারই একটি উদাহরণ।