জাবি শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে টেনে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
- / 123
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজনের উপস্থিতি মিললেও এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হলের পাশের সড়কে হাঁটছিলেন ওই শিক্ষার্থী। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় এক ব্যক্তি তার পিছু নেয় এবং পরে গলায় দড়ির মতো কিছু পেঁচিয়ে জোর করে পাশের জঙ্গলে টেনে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে আশপাশে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে নিরাপত্তা শাখার কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক তানভীর হোসেন জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, তারা কয়েকজন বাইকে করে ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় হঠাৎ চিৎকার শুনতে পান। পরে পাশের জঙ্গল থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় এক শিক্ষার্থী বেরিয়ে আসেন। তার পায়ে স্যান্ডেল ছিল না এবং শরীরে মাটি ও ধুলা লেগে ছিল। তখন ওই শিক্ষার্থী জানান, তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
জাহিদ আরও বলেন, ঘটনাটি জানার পর উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সঙ্গে সঙ্গে জঙ্গলে ঢুকে অভিযুক্তকে খোঁজার চেষ্টা করেন। তবে অন্ধকারের কারণে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে নিরাপত্তা শাখায় খবর দেওয়া হলে কর্তৃপক্ষ এসে ভুক্তভোগীকে মেডিকেলে পাঠায়।
ঘটনার পর জাকসুর নেতাকর্মী, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা শাখার সামনে অবস্থান নেন। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে অভিযুক্তকে শনাক্তের দাবি জানান এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেছে, তবে এখনো তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বাদী হয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাভারের আশুলিয়া থানায় মামলা করেন।





























