ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 11

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলাদা কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। তবে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদনের পর তিনি প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ উপকৃত হতে পারে। মোট দেশীয় অর্থায়নে পাঁচ বছরে গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে খাল খননের মাধ্যমে পানি আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পানি সংরক্ষণের কারিগরি দিক নিয়েও কাজ চলছে। গঙ্গা চুক্তি বাস্তবায়নে একটি কারিগরি দল সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফারাক্কা ব্যারাজের প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে রাজবাড়ী অংশে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ৫৪টি নদীর হিস্যা এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলাদা কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। তবে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদনের পর তিনি প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ উপকৃত হতে পারে। মোট দেশীয় অর্থায়নে পাঁচ বছরে গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে খাল খননের মাধ্যমে পানি আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পানি সংরক্ষণের কারিগরি দিক নিয়েও কাজ চলছে। গঙ্গা চুক্তি বাস্তবায়নে একটি কারিগরি দল সক্রিয় রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফারাক্কা ব্যারাজের প্রভাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর কারণে যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে রাজবাড়ী অংশে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ৫৪টি নদীর হিস্যা এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।