সম্মাননা পেয়ে আলোচনায় শারমিন সেলিম তুলি
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:২০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / 59
আলোকিত নারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্মাননা পদক লাভ করে নারী উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক শারমিন সেলিম তুলি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উদ্যোক্তা, সংগঠক, লেখক ও সমাজকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন তিনি।
জানা গেছে, শারমিন সেলিম তুলি বাংলাদেশের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তার প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বহু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, যেখানে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি মনে করেন, সমাজ উন্নয়নে নারীর ক্ষমতায়ন জরুরি এবং ধৈর্য, সততা ও নিষ্ঠা থাকলে যে কেউ সফল হতে পারে।
দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। বর্তমানে তিনি স্রোতধারা ফ্যাশন হাউস, বেয়ার বিজ বডি ওয়াক্স অ্যান্ড বিউটি সেলুন ও বেয়ার বিজ ফিটনেস ক্লাবের স্বত্বাধিকারী। এছাড়া মর্ডান লাইফ হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং ‘ওকেশানস’ ফ্যাশন অ্যান্ড লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
লেখক হিসেবেও রয়েছে তার পরিচিতি। নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘রূপচর্চার সাতসতের’ বইটি। বর্তমানে ভ্রমণবিষয়ক নতুন একটি বইয়ের কাজ করছেন। দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও অংশ নেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের সঙ্গে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর বিসিক থেকে টেক্সটাইল ও ফ্যাশন ডিজাইনিং কোর্স করেন। ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হেয়ার, স্কিন, মেকআপ ও ফ্যাশন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও অংশ নেন তিনি।
সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় শারমিন সেলিম তুলি বর্তমানে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা ইউটোপিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং মহিলা চেম্বার অব কমার্সের সদস্য।
তার প্রতিষ্ঠিত আলোকিত নারী কল্যাণ ফাউন্ডেশন পিছিয়ে পড়া নারী ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে কাজ করছে। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০১৮ সালে ১২ জন এবং ২০১৯ সালে ১৭ জন সফল নারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
নারী উদ্যোক্তা ও সমাজসেবায় অবদানের জন্য তিনি ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী অ্যাওয়ার্ড-২০১৯, ‘আমার কুড়ি’ অ্যাওয়ার্ড-২০১৯, উইবিডি সম্মাননাসহ বিভিন্ন পুরস্কার অর্জন করেছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে শারমিন সেলিম তুলি দুই সন্তানের জননী। তার স্বামী ইঞ্জিনিয়ার মো. সেলিম মিয়া একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা। ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে এবং মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছেন।



































