ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে পাকিস্তানের ৮ হাজার সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 46

ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে পাকিস্তান। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় দেশটি সৌদিতে ৮ হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্রের বরাতে জানা যায়, এই মোতায়েন মূলত সৌদি আরবের নিরাপত্তা শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে। প্রয়োজনে হামলার পরিস্থিতিতে দুই দেশ একে অপরকে সহায়তা করবে—এমন শর্তই চুক্তিতে রয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি স্কোয়াড্রন পাঠিয়েছে, যার বেশিরভাগই চীনের সহায়তায় তৈরি জেএফ-১৭ মডেল। এগুলো গত এপ্রিলের শুরুতেই সৌদিতে পৌঁছে যায়।

এর পাশাপাশি দুইটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুরো ব্যবস্থাপনা পাকিস্তানি সেনারা পরিচালনা করছেন, আর এর অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।

প্রায় ৮ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন একাধিক সূত্র। প্রয়োজনে আরও সেনা পাঠানোর প্রস্তুতিও রয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

গোপন রাখা প্রতিরক্ষা চুক্তির কিছু তথ্য এবারই প্রথম প্রকাশ্যে আসে। তবে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সামরিক ও পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই চুক্তির কারণে সৌদি আরব পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার আওতায় থাকতে পারে বলেও ধারণা তৈরি হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সৌদিতে পাকিস্তানের ৮ হাজার সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ইরানকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করেছে পাকিস্তান। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় দেশটি সৌদিতে ৮ হাজার সেনা, যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

নিরাপত্তা ও সরকারি সূত্রের বরাতে জানা যায়, এই মোতায়েন মূলত সৌদি আরবের নিরাপত্তা শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই করা হয়েছে। প্রয়োজনে হামলার পরিস্থিতিতে দুই দেশ একে অপরকে সহায়তা করবে—এমন শর্তই চুক্তিতে রয়েছে।

সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তান প্রায় ১৬টি যুদ্ধবিমান নিয়ে একটি স্কোয়াড্রন পাঠিয়েছে, যার বেশিরভাগই চীনের সহায়তায় তৈরি জেএফ-১৭ মডেল। এগুলো গত এপ্রিলের শুরুতেই সৌদিতে পৌঁছে যায়।

এর পাশাপাশি দুইটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং চীনের তৈরি এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুরো ব্যবস্থাপনা পাকিস্তানি সেনারা পরিচালনা করছেন, আর এর অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।

প্রায় ৮ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন একাধিক সূত্র। প্রয়োজনে আরও সেনা পাঠানোর প্রস্তুতিও রয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে কাজ করছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

গোপন রাখা প্রতিরক্ষা চুক্তির কিছু তথ্য এবারই প্রথম প্রকাশ্যে আসে। তবে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সামরিক ও পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই চুক্তির কারণে সৌদি আরব পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার আওতায় থাকতে পারে বলেও ধারণা তৈরি হয়েছে।