ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবার বাসস্থান নিশ্চিতে সরকারের বড় ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 31

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশের জন্য সবার বাসস্থান নিশ্চিত করা সহজ নয়। তবে সর্বজনীন বাসস্থানের পাশাপাশি টেকসই নগরায়ণেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শহরগুলোতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে দেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে মানুষের শহরমুখী প্রবণতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার আশপাশে একটি সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সকালে বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়। সভার আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সবার বাসস্থান নিশ্চিতে সরকারের বড় ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশের জন্য সবার বাসস্থান নিশ্চিত করা সহজ নয়। তবে সর্বজনীন বাসস্থানের পাশাপাশি টেকসই নগরায়ণেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহরাঞ্চলে নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শহরগুলোতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরের সঙ্গে দেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে মানুষের শহরমুখী প্রবণতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার আশপাশে একটি সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সকালে বিশ্ব বসতি দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়। সভার আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি স্বর্ণচাঁপা গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।