শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন
- সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
- / 20
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ও মাগুরায় আছিয়া হত্যার মতো পৈশাতিক অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ‘খেলাঘর’ জেলা কমিটির উদ্যোগে এই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে বক্তারা দেশজুড়ে চলমান শিশু ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি শিশুদের জন্য একটি পৃথক মন্ত্রণালয় ও বিশেষ সুরক্ষামূলক আইন গঠনের জোর দাবি জানান।
সমাজে অবুজ শিশুদের ওপর একের পর এক হওয়া পাশবিক নির্যাতন ও বর্বরতা রুখতে এবার ঢাকার পার্শ্ববর্তী শিল্পনগরীর রাজপথে নেমে এসেছেন সাধারণ মানুষ। শুক্রবার সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, নারী সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ব্যানার-ফেস্টুন হাতে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন।
মূলত শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন শিরোনামের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নারী ও শিশুদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির কারণে শিশুরা আজ ঘরের ভেতরেও সুরক্ষিত নয় বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
খেলাঘরের উপদেষ্টা রথীন চক্রবর্তী ও সিপিবির জেলা সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তীসহ শীর্ষ নেতারা সমাবেশে প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রতার তীব্র সমালোচনা করেন। বর্তমানে শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন করার মূল লক্ষ্য হলো অবুজ শিশুদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে রাষ্ট্রকে বাধ্য করা।
বক্তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে স্বয়ং ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখন আইনি ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে বিচার চাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোয় তারা দ্রুততম সময়ে চার্জশিট দাখিলের আশা প্রকাশ করছেন।
মানববন্ধনে সমাপনী বক্তব্যে খেলাঘরের জেলা সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির অতীতে হওয়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমালোচনা করলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্ষোভ উগরে দেন। বর্তমানে শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন শেষে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এমন বিকৃত মানসিকতার খুনি ও ধর্ষকদের প্রকাশ্য চত্বরে এনে সরাসরি এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ার দেওয়া উচিত।






































