ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 18

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে অরক্ষিত সেচ পাম্পের তারের কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কামাল হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৯টার দিকে দিগড় ইউনিয়নের কৈডলা মেদিনী পাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত কামাল ওই এলাকার মৃত সুজাত আলীর সন্তান। জলাশয়ের ওপর দিয়ে যাওয়া থ্রি-ফেজ লাইনের ছেঁড়া তার পানির সংস্পর্শে আসায় পুরো ডোবাটি বিদ্যুতায়িত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।

গ্রামীণ জনপদে চাষাবাদের জন্য ব্যবহৃত সেচ পাম্পের খোলা তার ও কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি আরও একটি তাজা প্রাণ অকালে কেড়ে নিল। বর্ষা মরসুমে উন্মুক্ত জলাশয়গুলোতে মাছ ধরার ধুম পড়লেও অবহেলাজনিত কারণে এই আনন্দ এখন বিষাদে রূপ নিয়েছে।

মূলত ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু শিরোনামের এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গ্রামীণ চকের ভেতরের সেচ লাইনের ত্রুটিপূর্ণ সংযোগের কারণেই এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করছেন স্বজনেরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আনুমানিক আটটার দিকে কামাল নিজের বাড়ির অদূরে এক খোলা মাঠের ভেতরের ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়েছিলেন। বর্তমানে ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু হওয়ার পেছনের কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, ওই ডোবার পানির ওপর দিয়ে যাওয়া সেচ পাম্পের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন থ্রি-ফেজ লাইনটি আগে থেকেই অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে নিমজ্জিত ছিল। সাধারণ ওই কৃষক কোনো কিছু বোঝার আগেই জালে টান দিতে গিয়ে পানির তীব্র বিদ্যুতায়িত তরঙ্গে অবশ হয়ে মারা যান।

ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর মাঠের অন্য কৃষকেরা ডোবায় নিথর দেহ ভেসে থাকতে দেখে ঘাটাইল থানা পুলিশকে জরুরি খবর দেন। বর্তমানে ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু হওয়া প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত লাইফ চেকিংয়ের অভাব এবং অবৈধ পাম্প লাইনের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে গ্রামীণ জনপদে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে অরক্ষিত সেচ পাম্পের তারের কারণে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কামাল হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৯টার দিকে দিগড় ইউনিয়নের কৈডলা মেদিনী পাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত কামাল ওই এলাকার মৃত সুজাত আলীর সন্তান। জলাশয়ের ওপর দিয়ে যাওয়া থ্রি-ফেজ লাইনের ছেঁড়া তার পানির সংস্পর্শে আসায় পুরো ডোবাটি বিদ্যুতায়িত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ।

গ্রামীণ জনপদে চাষাবাদের জন্য ব্যবহৃত সেচ পাম্পের খোলা তার ও কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি আরও একটি তাজা প্রাণ অকালে কেড়ে নিল। বর্ষা মরসুমে উন্মুক্ত জলাশয়গুলোতে মাছ ধরার ধুম পড়লেও অবহেলাজনিত কারণে এই আনন্দ এখন বিষাদে রূপ নিয়েছে।

মূলত ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু শিরোনামের এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি স্থানীয় কৃষকদের মাঝে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গ্রামীণ চকের ভেতরের সেচ লাইনের ত্রুটিপূর্ণ সংযোগের কারণেই এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করছেন স্বজনেরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আনুমানিক আটটার দিকে কামাল নিজের বাড়ির অদূরে এক খোলা মাঠের ভেতরের ডোবায় মাছ শিকার করতে গিয়েছিলেন। বর্তমানে ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু হওয়ার পেছনের কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, ওই ডোবার পানির ওপর দিয়ে যাওয়া সেচ পাম্পের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন থ্রি-ফেজ লাইনটি আগে থেকেই অরক্ষিত অবস্থায় পানিতে নিমজ্জিত ছিল। সাধারণ ওই কৃষক কোনো কিছু বোঝার আগেই জালে টান দিতে গিয়ে পানির তীব্র বিদ্যুতায়িত তরঙ্গে অবশ হয়ে মারা যান।

ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর মাঠের অন্য কৃষকেরা ডোবায় নিথর দেহ ভেসে থাকতে দেখে ঘাটাইল থানা পুলিশকে জরুরি খবর দেন। বর্তমানে ঘাটাইলে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু হওয়া প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিয়মিত লাইফ চেকিংয়ের অভাব এবং অবৈধ পাম্প লাইনের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনে গ্রামীণ জনপদে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না।