ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজাগামী বহরের কর্মীদের ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 16

গাজায় অবরোধ ভাঙতে যাওয়া আন্তর্জাতিক অ্যাক্টিভিস্টদের বহরের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, আটক করার পর ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও অপমানজনক আচরণ করেছে। আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের তুলে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

গাজামুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র সদস্যদের দাবি, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরাইলি বাহিনী তাদের জাহাজ আটক করে। পরে আটক অবস্থায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মারধর, ভয়ভীতি ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

ব্রাজিলিয়ান অ্যাক্টিভিস্ট থিয়াগো আভিলা অভিযোগ করেন, আটক স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছে। ডাচ অ্যাক্টিভিস্ট জেসি আলেটা ভ্যান শাইক বলেন, “আমাদের বেআইনিভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। হাত-পায়ে হাতকড়া পরিয়ে মাটিতে টেনে নেওয়া হয়।”

তার অভিযোগ, নারীদের পোশাক খুলে ছবি তোলা হয়েছে এবং পুরো রাত ধরে অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “তারা আমাদের মারধর করেছে, ব্যথা দিয়েছে এবং পুরো সময় হাসাহাসি করেছে।”

তুরস্ক জানিয়েছে, আটক হওয়া ৪২২ জন অ্যাক্টিভিস্টকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৫ জন তুর্কি নাগরিক। ইস্তাম্বুলে পৌঁছে কয়েকজন অ্যাক্টিভিস্ট বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে প্রতিদিন যে আচরণ করা হয়, তারই অভিজ্ঞতা তারা পেয়েছেন।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির প্রকাশ করা একটি ভিডিও নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।

তবে ইসরাইল দাবি করেছে, গাজার ওপর নৌ অবরোধ বৈধ এবং তা ভাঙার চেষ্টা ঠেকাতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক সব বিদেশি অ্যাক্টিভিস্টকে ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাজাগামী বহরের কর্মীদের ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

গাজায় অবরোধ ভাঙতে যাওয়া আন্তর্জাতিক অ্যাক্টিভিস্টদের বহরের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, আটক করার পর ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন ও অপমানজনক আচরণ করেছে। আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের তুলে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

গাজামুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র সদস্যদের দাবি, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইসরাইলি বাহিনী তাদের জাহাজ আটক করে। পরে আটক অবস্থায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে মারধর, ভয়ভীতি ও যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

ব্রাজিলিয়ান অ্যাক্টিভিস্ট থিয়াগো আভিলা অভিযোগ করেন, আটক স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছে। ডাচ অ্যাক্টিভিস্ট জেসি আলেটা ভ্যান শাইক বলেন, “আমাদের বেআইনিভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। হাত-পায়ে হাতকড়া পরিয়ে মাটিতে টেনে নেওয়া হয়।”

তার অভিযোগ, নারীদের পোশাক খুলে ছবি তোলা হয়েছে এবং পুরো রাত ধরে অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “তারা আমাদের মারধর করেছে, ব্যথা দিয়েছে এবং পুরো সময় হাসাহাসি করেছে।”

তুরস্ক জানিয়েছে, আটক হওয়া ৪২২ জন অ্যাক্টিভিস্টকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৫ জন তুর্কি নাগরিক। ইস্তাম্বুলে পৌঁছে কয়েকজন অ্যাক্টিভিস্ট বলেন, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে প্রতিদিন যে আচরণ করা হয়, তারই অভিজ্ঞতা তারা পেয়েছেন।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির প্রকাশ করা একটি ভিডিও নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের হাত বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।

তবে ইসরাইল দাবি করেছে, গাজার ওপর নৌ অবরোধ বৈধ এবং তা ভাঙার চেষ্টা ঠেকাতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক সব বিদেশি অ্যাক্টিভিস্টকে ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।