ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য রাসুলের (সা.) চরম অবমাননা: জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 19

জামায়াত

ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামী বিচারব্যবস্থাকে হেয় করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। তার দাবি, এমন বক্তব্য শুধু একটি নীতিগত অবস্থান নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গেও তা সংবেদনশীলভাবে জড়িয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে একদিকে শরিয়া-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির কথা বলা হলেও অন্যদিকে ইসলামী দণ্ডবিধিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা এক ধরনের দ্বিমুখী অবস্থান তৈরি করছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়াতে পারে।

পরওয়ারের ভাষায়, এ ধরনের মন্তব্য ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে ধর্মীয় আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য রাসুলের (সা.) চরম অবমাননা: জামায়াত

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামী বিচারব্যবস্থাকে হেয় করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। তার দাবি, এমন বক্তব্য শুধু একটি নীতিগত অবস্থান নয়, বরং ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গেও তা সংবেদনশীলভাবে জড়িয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে একদিকে শরিয়া-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির কথা বলা হলেও অন্যদিকে ইসলামী দণ্ডবিধিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা এক ধরনের দ্বিমুখী অবস্থান তৈরি করছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ বাড়াতে পারে।

পরওয়ারের ভাষায়, এ ধরনের মন্তব্য ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে ধর্মীয় আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ করেন।