ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে খামারেই কোরবানির গরু কেনায় ঝুঁকছেন ক্রেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 24

কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসায় নীলফামারীতে পশু কেনাবেচার চিত্রে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। হাটের ভিড় এড়িয়ে এখন অনেকেই সরাসরি খামারের দিকে ঝুঁকছেন, যেখানে তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে পশু বাছাইয়ের সুযোগ মিলছে।

জেলায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে খামারগুলোতে এখন চলছে ব্যস্ত সময়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পশুর পরিচর্যা ও খাবার প্রস্তুত নিয়ে কাজ করছেন খামারিরা। ঈদকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেড়েছে খামারগুলোতে, আর অনেকেই মনে করছেন খামার থেকেই কেনাকাটা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সহজ।

কিছু ক্রেতার মতে, হাটে অতিরিক্ত ভিড়, অব্যবস্থাপনা এবং দালালের চাপের কারণে স্বস্তিতে কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই তুলনায় খামারে গিয়ে পশু দেখে নেওয়ার সুযোগ থাকায় সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হচ্ছে।

আবার কেউ কেউ বলছেন, খোলা পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও ভিড়ের ঝুঁকি এড়াতে খামারকেই বেশি নিরাপদ মনে হচ্ছে। বিশেষ করে আবহাওয়া ও যাতায়াতজনিত ঝামেলাও অনেককে এ পথে টানছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর জেলায় প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি খামারে লক্ষাধিক পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায় পশুর সরবরাহ কিছুটা বেশি থাকায় উদ্বৃত্ত পশু অন্য জেলায়ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নীলফামারীতে খামারেই কোরবানির গরু কেনায় ঝুঁকছেন ক্রেতারা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসায় নীলফামারীতে পশু কেনাবেচার চিত্রে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। হাটের ভিড় এড়িয়ে এখন অনেকেই সরাসরি খামারের দিকে ঝুঁকছেন, যেখানে তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে পশু বাছাইয়ের সুযোগ মিলছে।

জেলায় ছোট-বড় সব মিলিয়ে খামারগুলোতে এখন চলছে ব্যস্ত সময়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পশুর পরিচর্যা ও খাবার প্রস্তুত নিয়ে কাজ করছেন খামারিরা। ঈদকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বেড়েছে খামারগুলোতে, আর অনেকেই মনে করছেন খামার থেকেই কেনাকাটা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও সহজ।

কিছু ক্রেতার মতে, হাটে অতিরিক্ত ভিড়, অব্যবস্থাপনা এবং দালালের চাপের কারণে স্বস্তিতে কেনাকাটা করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেই তুলনায় খামারে গিয়ে পশু দেখে নেওয়ার সুযোগ থাকায় সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হচ্ছে।

আবার কেউ কেউ বলছেন, খোলা পরিবেশে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও ভিড়ের ঝুঁকি এড়াতে খামারকেই বেশি নিরাপদ মনে হচ্ছে। বিশেষ করে আবহাওয়া ও যাতায়াতজনিত ঝামেলাও অনেককে এ পথে টানছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর জেলায় প্রায় পঁয়ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি খামারে লক্ষাধিক পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায় পশুর সরবরাহ কিছুটা বেশি থাকায় উদ্বৃত্ত পশু অন্য জেলায়ও সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।