ঢাকা ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে শীর্ষ ১৮ মার্কিন কোম্পানি ইরানের হামলার টার্গেট

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 162

ইরান সরাসরি হুমকি দিলো অ্যাপল, গুগলসহ ১৮টি বড় মার্কিন সংস্থাকে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কর্মীদের দ্রুত অফিস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী সহায়তার অভিযোগে ১৮টি বড় মার্কিন সংস্থাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

তালিকায় অ্যাপল, গুগল, মেটা, মাইক্রোসফট, এইচপি, ইনটেল, আইবিএম, সিস্কো, টেসলা, এনভিডিয়া, ওরাকল ও বোয়িংসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এই সংস্থাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইরানে গুপ্তহত্যা ও নাশকতার ছক করছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অফিসগুলোও ‘ধ্বংস’ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিক হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ায় তেহরান কঠোর অবস্থানে এসেছে।

আইআরজিসি কর্মীদের অবিলম্বে অফিস ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক অফিসের এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের সাধারণ মানুষকেও নিরাপদ স্থানে সরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। মঙ্গলবারও বেশ কয়েকজন ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে শীর্ষ ১৮ মার্কিন কোম্পানি ইরানের হামলার টার্গেট

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ইরান সরাসরি হুমকি দিলো অ্যাপল, গুগলসহ ১৮টি বড় মার্কিন সংস্থাকে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কর্মীদের দ্রুত অফিস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী সহায়তার অভিযোগে ১৮টি বড় মার্কিন সংস্থাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

তালিকায় অ্যাপল, গুগল, মেটা, মাইক্রোসফট, এইচপি, ইনটেল, আইবিএম, সিস্কো, টেসলা, এনভিডিয়া, ওরাকল ও বোয়িংসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এই সংস্থাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইরানে গুপ্তহত্যা ও নাশকতার ছক করছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক অফিসগুলোও ‘ধ্বংস’ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে ধারাবাহিক হামলায় ইরানের উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হওয়ায় তেহরান কঠোর অবস্থানে এসেছে।

আইআরজিসি কর্মীদের অবিলম্বে অফিস ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক অফিসের এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের সাধারণ মানুষকেও নিরাপদ স্থানে সরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। মঙ্গলবারও বেশ কয়েকজন ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।