অধিনায়ক শেখ হাসিনার পথেই সাকিব
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 121
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি তিনি প্রথমবারের মতো একটি সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও। বিষয়টি নিয়ে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। এরই মধ্যে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন সাকিব।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বলেন, সরকার যদি তাঁর নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়, তাহলে তিনি দুই বছরের নির্বাসন ভেঙে দেশে ফিরতে, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হত্যা মামলাসহ সব অভিযোগের বিচার মোকাবিলা করতে এবং বিদায়ী সিরিজ খেলতে প্রস্তুত।
সম্প্রতি দেশে ফেরার বিষয়ে দ্রুততম সময়ের কথা উল্লেখ করেছিলেন সাকিব। এবারও তিনি একই অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, এখনই দেশে ফিরতে চান। তবে তা সম্ভব না হলে ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়া শেখ হাসিনার সঙ্গেই ফেরার চেষ্টা করবেন।
এর আগে রয়টার্সকে শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি এবং আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারা আগামী ডিসেম্বরে স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরবেন। একই প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, তিনি এখনই দেশে ফিরতে চান। তবে তা সম্ভব না হলে শেখ হাসিনার সঙ্গেই ফেরার চেষ্টা করবেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ‘অধিনায়ক’ উল্লেখ করে বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটার বলেন, ‘অধিনায়ক যা বলেন, আমরা তাই অনুসরণ করি। আমি মনে করি, তাঁরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবেন, আর আমরা তাঁদের নির্দেশনাই মেনে চলব।’
শ্রীলঙ্কার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) খেলতে বর্তমানে দেশটিতে অবস্থান করছেন সাকিব। সেখান থেকেই তিনি ফোনে রয়টার্সকে বলেন, ‘সরকার যদি আমাকে ক্লিয়ারেন্স দেয় এবং আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, তাহলে আমি দেশে ফিরে আদালতের বিচারসহ যা যা করার প্রয়োজন, সবকিছুর মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, আমি কোনো অন্যায় করিনি।’
গত দুই বছর বিদেশে কাটানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে এটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বিস্তারিত বক্তব্য। সাবেক এই অধিনায়কের পরিস্থিতি শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সৃষ্ট বৃহত্তর রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। শেখ হাসিনার বহু সহযোগীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছে, যা তাঁদের দেশে ফেরার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাকিবের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক মামলা।






























