ঢাকা ০২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে কসবার শ্রমিকের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 8

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে কসবার শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় পাম তেলবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে ঋণ করে মালয়েশিয়ায় যান তিনি। সেখানে একটি পাম তেলবাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

নিহতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যায় বাগানে কাজ করার সময় হিরন বজ্রপাতের শিকার হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। বর্তমানে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, অনেক ঋণ করে কষ্টের মধ্যে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন হিরন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক শোকের ঘটনায় পরিবারটি এখন বিপর্যস্ত।

চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন তিনি। স্ত্রী হ্যাপি আক্তার, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন হিরন। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে এবং মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ ও রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্ত্রী হ্যাপি আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়েন। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগমও ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মালয়েশিয়ায় পাম বাগানে বজ্রপাতে কসবার শ্রমিকের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় পাম তেলবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে ঋণ করে মালয়েশিয়ায় যান তিনি। সেখানে একটি পাম তেলবাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

নিহতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যায় বাগানে কাজ করার সময় হিরন বজ্রপাতের শিকার হন। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। বর্তমানে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, অনেক ঋণ করে কষ্টের মধ্যে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন হিরন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক শোকের ঘটনায় পরিবারটি এখন বিপর্যস্ত।

চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন তিনি। স্ত্রী হ্যাপি আক্তার, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন হিরন। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণিতে এবং মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ ও রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।

হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছালে স্ত্রী হ্যাপি আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়েন। ৭৫ বছর বয়সী মা জাহানারা বেগমও ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।